বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ, সুদ ও শর্ত কী?

অর্থনীতি ডেস্ক

অর্থনীতি

2026-10-31T18:46:57+06:00
2026-10-31T18:46:57+06:00
শনিবার ● ৩১ অক্টোবর ২০২৬,
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
অর্থনীতি
বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ, সুদ ও শর্ত কী?
অর্থনীতি ডেস্ক
⏲ ৬:৪৬ পিএম | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ | শনিবার
সংগৃহীত ছবি
দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষাজাল শক্তিশালী করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকি সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার।

গতকাল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মধ্যে ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

প্রকল্পটির আওতায় বাংলাদেশ ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) পাবে, যা ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এর মূল উদ্দেশ্য দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা জাল আরও শক্তিশালী করা, আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া।

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের স্থিতির ওপর বার্ষিক ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে বাংলাদেশকে। পাশাপাশি অনুত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য হবে।

তবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরসহ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে এ প্রতিশ্রুতি ফি বা কমিটমেন্ট ফি থেকে অব্যাহতি দিয়ে আসছে বিশ্বব্যাংক।

ঋণটির পরিশোধের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর থাকবে গ্রেস পিরিয়ড বা ঋণ পরিশোধে রেয়াতি সময়।

ইআরডি জানিয়েছে, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। সংস্থাটির অর্থায়ন দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সর্বশেষ এই অর্থায়ন চুক্তির মাধ্যমে দেশের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের চলমান সহযোগিতা আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত