স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৬৯ জন নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। মাত্র নয় মাস আগে আরেকটি ট্রেন দুর্ঘটনায় ৪৬ জনের প্রাণহানির পর নতুন এই বিপর্যয় দেশটির রেলব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন আগাম নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সোশ্যালিস্ট নেতৃত্বাধীন সরকার।
দুর্ঘটনার পর বিরোধী দলগুলো সরকারের নৈতিক দায়ের প্রশ্ন তুলে পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে। তবে পরিবহনমন্ত্রী ঘটনাটিকে ‘মানবীয় ত্রুটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দুর্নীতির অভিযোগ, আবাসন সংকট ও অভিবাসন ইস্যুতে আগে থেকেই সরকারের ওপর সাধারণ মানুষের অসন্তোষ ছিল। নতুন এই ট্রেন দুর্ঘটনা সেই ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। রেলব্যবস্থার নিরাপত্তা ও সরকারের দায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে আসন্ন আগাম নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের নেতৃত্বাধীন সরকারের অবস্থান দুর্বল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেন্টার-রাইট বিরোধী দল এবং উগ্র ডানপন্থী জোটের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা বেড়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, সরকারের জবাবদিহি এবং জনআস্থা পুনরুদ্ধার-সব মিলিয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী সানচেজ। জনরোষ ও বিরোধীদের চাপের মধ্যে শেষ পর্যন্ত তাঁর সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সূত্র: বিবিসি
জ/উ