পরীক্ষায় ব্যর্থতাই শেষ কথা নয়, ঘুরে দাঁড়িয়ে বিশ্বজয় করেছেন যারা

ফিচার ডেস্ক

ফিচার

2026-10-31T18:38:48+06:00
2026-10-31T18:38:48+06:00
শনিবার ● ৩১ অক্টোবর ২০২৬,
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
ফিচার
পরীক্ষায় ব্যর্থতাই শেষ কথা নয়, ঘুরে দাঁড়িয়ে বিশ্বজয় করেছেন যারা
ফিচার ডেস্ক
⏲ ৬:৩৮ পিএম | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ | শনিবার
সংগৃহীত ছবি
একটি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া কিংবা শিক্ষাজীবনে বাধার মুখে পড়া মানেই জীবনের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, লেখক ও রাষ্ট্রনায়কদের জীবনেও এসেছে ব্যর্থতা, প্রত্যাখ্যান ও প্রতিকূলতা। সেসব বাধা পেরিয়েই অনেকে পৌঁছেছেন সাফল্যের শিখরে।

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জীবনে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ এবং অনেক ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ পেশাজীবনের স্বপ্ন। পরিবার ও সমাজের কাছেও পরীক্ষাটির গুরুত্ব অনেক। ফলে এতে অকৃতকার্য হওয়াকে অনেকেই জীবনের বড় ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচনা করেন।

চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেননি।

যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা হয়তো সামনে এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথ খুঁজে পাবেন। তবে যারা অকৃতকার্য হয়েছেন, তাদের জীবনও এখানেই থেমে যাওয়ার কথা নয়। বরং এই ফলাফল কারও কারও ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

জীবনের প্রথম বড় কোনো জাতীয় পরীক্ষায় ব্যর্থতা তরুণ-তরুণীদের মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশার চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে ফলাফলের তুলনা, লোকলজ্জা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা অনেককে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। কেউ নিজের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন, কেউ ভাবতে শুরু করেন সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।

কিন্তু একটি পরীক্ষার ফল কি সত্যিই একজন মানুষের মেধা, যোগ্যতা কিংবা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিতে পারে? ইতিহাস বলছে, পৃথিবীর বহু সফল মানুষের জীবনেও এসেছে ব্যর্থতা, প্রত্যাখ্যান কিংবা শিক্ষাজীবনের নানা বাধা। তাঁদের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দেয়, একটি পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া আর জীবনে ব্যর্থ হয়ে যাওয়া এক বিষয় নয়।

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও নোবেলজয়ী আলবার্ট আইনস্টাইনের কথাই ধরা যাক। মাত্র ১৬ বছর বয়সে সুইজারল্যান্ডের জুরিখের ফেডারেল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষায় সামগ্রিকভাবে উত্তীর্ণ হতে পারেননি তিনি। গণিত ও বিজ্ঞানে ভালো করলেও ভাষা ও ইতিহাসের মতো বিষয়ে তাঁর ফল আশানুরূপ ছিল না। তবে হাল ছাড়েননি আইনস্টাইন। পরবর্তী সময়ে আরাউয়ের একটি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে আবারও ভর্তির সুযোগ পান। তাঁর আপেক্ষিকতাবাদ আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ধারণায় বড় পরিবর্তন আনে। ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান তিনি।

আইনস্টাইনের অভিজ্ঞতা দেখায়, একটি পরীক্ষায় সব সময় একজন শিক্ষার্থীর সামগ্রিক যোগ্যতার প্রতিফলন ঘটে না। নির্দিষ্ট সময়ের প্রস্তুতি, কোনো বিষয়ে দুর্বলতা কিংবা পরীক্ষার পরিস্থিতি ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্বখ্যাত উদ্ভাবক থমাস আলভা এডিসনের শিক্ষাজীবনও প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে মসৃণ ছিল না। শৈশবে অল্প সময় বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পর তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে সরে আসেন। তাঁর মা বাড়িতে পড়াশোনায় সহায়তা করেন। পরে নিজের কৌতূহল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী উদ্ভাবক হয়ে ওঠেন এডিসন। বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবহারিক উন্নয়ন, ফোনোগ্রাফ এবং চলচ্চিত্র প্রযুক্তির বিকাশে তাঁর অবদান স্মরণীয়।

অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের জীবনও তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার। যুক্তরাষ্ট্রের রিড কলেজে ভর্তি হলেও আর্থিক সংকটের কারণে ছয় মাসের মাথায় নিয়মিত পড়াশোনা ছেড়ে দেন তিনি। এরপরও নিজের আগ্রহের বিষয়গুলোতে ক্লাস করার সুযোগ নেন। তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তা ও নেতৃত্ব ব্যক্তিগত কম্পিউটার, সংগীত শোনা এবং মুঠোফোন ব্যবহারের জগতে বড় পরিবর্তন এনেছে।

জবসকে একসময় নিজের প্রতিষ্ঠিত অ্যাপল থেকেও সরে যেতে হয়েছিল। কিন্তু তাতে থেমে থাকেননি তিনি। পরে আবার অ্যাপলে ফিরে এসে প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাকবুকের মতো প্রযুক্তিপণ্যের বিকাশে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও ডিগ্রি শেষ করেননি। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ার কাজে মনোযোগ দিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেন। পরবর্তী সময়ে বিশ্বের অন্যতম সফল উদ্যোক্তা ও দাতা হিসেবে পরিচিতি পান।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও হার্ভার্ডে পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে প্রযুক্তি উদ্যোগে মনোযোগী হন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যোগাযোগের ধরনে বড় পরিবর্তন এনেছে।

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ‘মিসাইল ম্যান’ খ্যাত ড. এপিজে আবদুল কালামের স্বপ্ন ছিল যুদ্ধবিমানের পাইলট হওয়া। কিন্তু ভারতীয় বিমানবাহিনীর নির্বাচনি পরীক্ষায় ২৫ জনের মধ্যে নবম হওয়ায় তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। নিয়োগের সুযোগ ছিল মাত্র আটজনের। জীবনের এই প্রত্যাখ্যান তাঁকে থামাতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে তিনি ভারতের অন্যতম বিজ্ঞানী, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির প্রধান স্থপতি এবং রাষ্ট্রপতি হন।

তবে এসব ব্যক্তির অভিজ্ঞতাকে সরাসরি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার উদাহরণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাঁদের জীবন থেকে বরং বোঝা যায়, শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে বাধা আসা কিংবা প্রচলিত শিক্ষার পথ থেকে সরে যাওয়া মানেই সম্ভাবনার সমাপ্তি নয়।

জনপ্রিয় হ্যারি পটার সিরিজের লেখিকা জে কে রাউলিংয়ের জীবনেও ছিল প্রত্যাখ্যান ও হতাশার দীর্ঘ অধ্যায়। ব্যক্তিগত জীবনের সংকটের মধ্যে সন্তানকে নিয়ে কঠিন সময় পার করতে হয়েছে তাঁকে। তাঁর লেখা পাণ্ডুলিপি প্রকাশের জন্য একাধিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। কিন্তু লেখালেখি ছাড়েননি তিনি। শেষ পর্যন্ত হ্যারি পটার সিরিজই তাঁকে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় লেখকে পরিণত করে।

২০০৮ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে নিজের ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাউলিং বলেন, ‘জীবনে কোনো কিছুতেই ব্যর্থ না হয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব, যদি না কেউ এতটা সতর্কভাবে জীবনযাপন করে যে, আদতে সে বেঁচেই থাকে না। ব্যর্থতা আমাকে এমন আত্মবিশ্বাস দিয়েছিল, যা পরীক্ষায় পাস করেও কখনো অর্জন করতে পারিনি। ব্যর্থতা আমাকে নিজের সম্পর্কে এমন কিছু শিখিয়েছে, যা অন্য কোনোভাবে শেখা সম্ভব ছিল না।’

চীনের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা জীবনে বহুবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় গণিতে পেয়েছিলেন মাত্র ১ নম্বর। তিনবার চেষ্টা করেও ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত হ্যাংঝৌ নরমাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন।

চাকরির ক্ষেত্রেও বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়েন তিনি। কেএফসিতে চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন ২৪ জন। তাঁদের মধ্যে ২৩ জন চাকরি পেলেও বাদ পড়েন কেবল জ্যাক মা। পুলিশের চাকরির ক্ষেত্রেও প্রত্যাখ্যাত হন তিনি।

তবে হাল ছাড়েননি জ্যাক মা। ১৮ জন সহযোদ্ধাকে নিয়ে নিজের বাড়ি থেকে আলিবাবার যাত্রা শুরু করেন। শুরুতে তাঁদের পরিকল্পনায় কেউ বিশ্বাস করেনি। এমনকি ৩০ জন বিনিয়োগকারীও তাঁদের ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যান তিনি। আজ আলিবাবা একটি বৈশ্বিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। জ্যাক মা নিজেও তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছে অনুপ্রেরণার নাম।

ভারতের প্রভাবশালী শিল্পপতিদের একজন ধীরুভাই আম্বানির প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন খুব বেশি দূর এগোয়নি। স্কুলে পড়াশোনায়ও ছিলেন গড়পড়তা। তবে বুদ্ধিমত্তা, ঝুঁকি নেওয়ার সাহস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ব্যবসায়িক জগতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি। ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করে গড়ে তোলেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, যা পরবর্তী সময়ে ভারতের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীতে পরিণত হয়।

ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের স্কুলজীবনও খুব একটা ভালো ছিল না। পড়াশোনায় দুর্বলতা এবং শিক্ষাজীবনের নানা বাধা পেরিয়ে তিনি পরবর্তী সময়ে ব্রিটেনের নেতৃত্ব দেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তাঁর নেতৃত্ব ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে। সাহিত্যেও অবদান রাখেন তিনি; ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

এই ব্যক্তিদের জীবন থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, সফল হওয়ার কোনো একটিমাত্র পথ নেই। পরীক্ষায় ভালো ফল করা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবনে ভালো ফলের প্রয়োজনীয়তাও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে পরীক্ষার ফলই মানুষের সামগ্রিক যোগ্যতার চূড়ান্ত মাপকাঠি নয়।

এদিকে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এসব শিক্ষার্থীকে এক বছর অপেক্ষা না করিয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে অনেক শিক্ষার্থীর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে শুধু পুনরায় পরীক্ষার সুযোগই যথেষ্ট নয়। এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পরিবার, শিক্ষক ও সমাজের সহমর্মিতা। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের তিরস্কার না করে কোথায় ঘাটতি ছিল, তা খুঁজে বের করতে সহায়তা করতে হবে। প্রয়োজন মানসিক সমর্থন, নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়ার পরিবেশ এবং নিজেদের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, ‘সাফল্য উদ্যাপন করা ভালো, তবে ব্যর্থতা থেকে পাওয়া শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া আরও বেশি জরুরি।’

পরীক্ষায় পাস করা অবশ্যই আনন্দের। কিন্তু একটি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই জীবনের সম্ভাবনার দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। আইনস্টাইন, জ্যাক মা, জে কে রাউলিং কিংবা স্টিভ জবসের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দেয়, বাধা ও প্রত্যাখ্যানের পরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। প্রয়োজন নিজের ওপর বিশ্বাস, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং নতুন করে চেষ্টা করার মানসিকতা।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত