মাল্টা ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

শুল্ক পরিশোধের পরও প্রতি কেজি মাল্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। রমজানসহ বিশেষ উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করা হলে তা বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

2026-10-09T07:27:56+06:00
2026-10-09T07:27:56+06:00
শনিবার ● ১০ অক্টোবর ২০২৬,
২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
মাল্টা ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ৭:২৭ এএম | ৯ অক্টোবর, ২০২৬ | শুক্রবার
সংগৃহীত ছবি
শুল্ক পরিশোধের পরও প্রতি কেজি মাল্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। রমজানসহ বিশেষ উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করা হলে তা বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সারা বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে দেশের ভৌগোলিক সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। কোন অঞ্চলে কোন সময়ে কী ধরনের ফসল উৎপাদন করা হবে, তা নির্ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে খাদ্যশস্য ও সবজি উৎপাদন করা গেলে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে পণ্যের ঘাটতি এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, চিনি, ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ প্রয়োজনীয় সব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কোনো পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই। এ ছাড়া আমদানির অপেক্ষায় থাকা আরও কিছু পণ্য পাইপলাইনে রয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, রমজান কিংবা বছরের অন্য কোনো সময়ে কোনো ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে বা সংঘবদ্ধ হয়ে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আলী আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম, বিপিএএমইএর প্রথম সহসভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী, কাস্টমস কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমান, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম এ ছালাম, সাবেক পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব ও রেজাউল করিমসহ অনেকে।

জ/শা


  বিষয়:   বাণিজ্যমন্ত্রী  খন্দকার আবদুল মুক্তাদির 


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত