খুলনা দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে গত ২৮ জুলাই দৈনিক জবাবদিহিতে সংবাদ প্রকাশের ঠিক কিছুদিন পরই খামারটি পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
আজ ০৮ অক্টোবর ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খামারটি পরিদর্শন করেন তিনি পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফিংকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল খামারিকে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। সরকারের বৃহত্তর লক্ষ্য হচ্ছে হাঁস-মুরগি উৎপাদনের খামার আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। হাঁস প্রজনন খামারের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে খামারের সংখ্যা বাড়ানো গেলে একদিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনেও তা ভূমিকা রাখবে। তরুণ জনগোষ্ঠীকে কৃষি ও খামারভিত্তিক উদ্যোক্তায় পরিণত করা গেলে বেকারত্ব কমানোর পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে। এসময় তরুণ উদ্যোক্তাদের খামার গড়ে তুলতে উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক সংলগ্ন ঝিলপুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। বিকেলে তিনি রূপসা উপজেলার জাবুসা টোটাল সি ফুড প্রসেসিং ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন।
‘দৈনিক জবাবদিহি’র প্রতিবেদনের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ পরিদর্শন খামারটির সমস্যা, সম্ভাবনা ও আধুনিকায়নের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এনেছে।
মন্ত্রণালয়ের এমন দ্রুত পরিদর্শনে আনন্দ প্রকাশ করে দৈনিক জবাবদিহি পএিকার খুলনা প্রতিনিধি মোঃ জোবায়ের ইসলাম অলি বলেন, সংবাদ এর সফলতা এখানেই। আমি চাই দৃশ্যমান সফলতা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বেচে উঠুক আমাদের যুবসমাজ সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখুক হাঁস প্রজনন এই খামারটি।
জ/বা