প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি কমাতে কুপন পদ্ধতি চালুর কথা ভাবছে সরকার। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ৩৮ টাকা ৫০ পয়সার কুপন দেওয়া হবে। সেই কুপন ব্যবহার করে স্থানীয় পর্যায়ে তালিকাভুক্ত খাদ্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী খাবার কিনতে পারবে শিশুরা।
আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে এ পরিকল্পনার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের এই কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের সক্ষমতা বিবেচনা করে তালিকাভুক্ত করা হবে। কোনো শিক্ষার্থী তালিকাভুক্ত দোকান বা ব্যবসায়ীর কাছে নিজের পছন্দ অনুযায়ী খাবার না পেলে সেখান থেকে খাবার কিনবে না। সে ক্ষেত্রে কুপনের অর্থ শিক্ষার্থীর কাছেই থাকবে।
তবে কুপন পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের বইয়ের মান নিয়েও কথা বলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, বইয়ের মান যাচাইয়ে পাঁচটি ধাপে পরীক্ষা করা হচ্ছে। কাগজের মানসহ নির্ধারিত মানদণ্ডে কোনো বই ত্রুটিপূর্ণ হলে তা বাতিল করা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ বই কেটে বিনষ্ট করা হয়েছে। এরপরও অনেকেই নিম্নমানের বই সরবরাহের চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি। তবে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়ার পরও কোনো বইয়ের মান খারাপ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রিন্টার্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
জ/উ