শিশু নন্দিনী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড

লালমনিরহাট, প্রতিনিধি

দেশজুড়ে

2026-08-23T17:17:40+06:00
2026-08-23T17:17:40+06:00
মঙ্গলবার ● ২৭ অক্টোবর ২০২৬,
১১ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
দেশজুড়ে
শিশু নন্দিনী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড
লালমনিরহাট, প্রতিনিধি
⏲ ৫:১৭ পিএম | ২৩ আগস্ট, ২০২৬ | রোববার
শিশু নন্দিনী হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড
লালমনিরহাটের বহুল আলোচিত শিশু নন্দিনী হত্যা মামলায় প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তার বাবা রনজিত কুমার ও মা মমতা রানীকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রোববার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত বিধান চন্দ্র, তার বাবা রনজিত কুমার ও মা মমতা রানী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নন্দিনীর স্বজনরা। তারা এ রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। নিহত নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মন বলেন, আদালতের রায়ে তারা সন্তুষ্ট। প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করা হোক-এটাই তাদের প্রত্যাশা।

গত ১৬ জুন বিকেল থেকে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় সাত বছর বয়সী শিশু নন্দিনী। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে মাটি অস্বাভাবিকভাবে নরম দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহ হলে সেখানে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় নন্দিনীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় বিধান চন্দ্রকে আটক করতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান। 

এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের বহরে হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে অন্তত ১৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার দ্রুত বিচার ও রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, আদালতের দেওয়া রায় দ্রুত কার্যকর করা হবে।


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত