পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন চালুর পরিকল্পনা, অগ্রাধিকার পাঁচ প্রকল্পে

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

2026-10-26T17:28:57+06:00
2026-10-26T17:38:40+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬,
১০ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন চালুর পরিকল্পনা, অগ্রাধিকার পাঁচ প্রকল্পে
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ৫:২৮ পিএম | ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ | সোমবার
ছবি- এআই নির্মিত
দেশের উত্তর প্রান্তের পঞ্চগড় থেকে দক্ষিণের পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার বড় ধরনের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্ককে কার্যকরভাবে যুক্ত করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রেলপথ সম্প্রসারণ, নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ, নিরাপত্তা জোরদার, ডিজিটাল যাত্রীসেবা এবং পরিবেশ সুরক্ষার উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য সামনে রেখে পশ্চিমাঞ্চলে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক এবং পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম-দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রকল্পগুলো সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে পঞ্চগড় ছাড়াও রাজশাহী, চিলাহাটি এবং অন্যান্য ব্রডগেজ রুট থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের ট্রেনগুলো ঢাকামুখী যাত্রায় ঈশ্বরদী হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক নির্মিত হলে এই ঘুরপথ প্রায় ১১২ কিলোমিটার কমে আসবে। এতে পঞ্চগড়, বুড়িমারী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও চিলাহাটিসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে যাতায়াতের দূরত্ব কমার পাশাপাশি প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে।

রেলপথের এই সংযোগ উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আনবে বলে আশা করছে রেলওয়ে। একই সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তুলনামূলক কম খরচে ও দ্রুত পণ্য পরিবহনের সুযোগ বাড়বে।

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির জন্য ইতোমধ্যে ৯০১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসন অধিগ্রহণ করা জমি রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে।

প্রকল্পের সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

এই করিডোরের সঙ্গে শান্তাহার-বগুড়া লিংক যুক্ত হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি ব্রডগেজ রেল যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চল থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় সংযোগ গড়ে তোলা সহজ হবে।

পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠায় পূর্বাঞ্চলের রেলপথের সক্ষমতা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম-দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশকে ডুয়েলগেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটারগেজ রেললাইন ডুয়েলগেজে রূপান্তরের প্রকল্প ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। ঠিকাদার ও পরামর্শক নিয়োগের কার্যক্রম শেষ করে মূল নির্মাণকাজ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

আখাউড়া-লাকসাম ডাবল লাইন ডুয়েলগেজ প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশ ডুয়েলগেজে উন্নীত করা গেলে পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্কের সক্ষমতা আরও বাড়বে।

কর্মকর্তারা জানান, লাকসাম-চট্টগ্রাম মিটারগেজ ডাবল ট্র্যাককে ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাকে রূপান্তরের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। একইভাবে টঙ্গী-ভৈরববাজার-আখাউড়া মিটারগেজ ডাবল লাইনকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের জন্য ডিপিপি অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তাঁদের মতে, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ ইতোমধ্যে ডুয়েলগেজ হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের ব্রডগেজ রেলপথের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের ডুয়েলগেজ নেটওয়ার্ক কার্যকরভাবে যুক্ত করা গেলে পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচলের অবকাঠামোগত ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, দেশের রেল নেটওয়ার্ককে আরও কার্যকর করতে ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন প্রকল্পও অগ্রাধিকার পেয়েছে। প্রায় ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কর্ড লাইনের মাধ্যমে কুমিল্লাকে রাজধানীর শ্যামপুরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং যাত্রার সময় সাশ্রয় হবে প্রায় দুই ঘণ্টা। তাঁর তথ্যমতে, প্রকল্পের অ্যালাইনমেন্ট চূড়ান্ত হয়েছে। খসড়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুমোদিত হয়েছে এবং চূড়ান্ত সমীক্ষা অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজও এগিয়ে যাচ্ছে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, কর্ড লাইনটির পুরো অংশ উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ভূমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন কমার পাশাপাশি লেভেল ক্রসিংয়ের সংখ্যা সীমিত রাখা সম্ভব হবে। এর ফলে ট্রেনের গতি বাড়ানো এবং নিরাপত্তা উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।

চলতি অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের জন্য ডিপিপি অনুমোদনের লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি লালমনিরহাট-বগুড়া এবং পার্বতীপুর-কাউনিয়া-রংপুরসহ বিভিন্ন রেলপথকে ডুয়েলগেজ বা ব্রডগেজে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

রেলওয়ের পরিকল্পনা হলো, প্রথমে প্রধান রেলপথগুলো আধুনিকায়ন করা এবং পরে পর্যায়ক্রমে শাখা রেলপথগুলোকে মূল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা।

যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করতে নতুন ট্রেন চালু এবং বিদ্যমান ট্রেনের রুট সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

গত ১০ আগস্ট ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন উদ্বোধন করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মহানগর এক্সপ্রেসের চলাচল কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর রাত ৮টা থেকে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলাচল করবে। এতে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহের প্রকল্পের আওতায় প্রথম চালানে ১৮টি কোচ দেশে এসেছে। এর মধ্যে ১২টি নতুন কোচ দিয়ে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে আন্তনগর ট্রেন চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ট্রেনটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে দুটি আন্তনগর ট্রেন চালুর প্রস্তুতিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

রেল পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন লোকোমোটিভ, যাত্রীবাহী কোচ ও রক্ষণাবেক্ষণ সরঞ্জাম সংগ্রহের কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) অর্থায়নে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের ডিপিপি পুনর্গঠন করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ২০০টি মিটারগেজ কোচ, তিনটি রিলিফ ক্রেন এবং আন্ডার-ফ্লোর হুইল লেদ মেশিন সংগ্রহের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নতুন প্রযুক্তির আন্ডার-ফ্লোর হুইল লেদ চালু হলে চাকা খুলে না ফেলেই ট্রেনের চাকার প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ করা যাবে। এতে রক্ষণাবেক্ষণে সময় কমার পাশাপাশি কাজের দক্ষতা বাড়বে বলে আশা করছে রেলওয়ে।

এ ছাড়া ৭০টি লোকোমোটিভ-এর মধ্যে ৩০টি মিটারগেজ ও ৪০টি ব্রডগেজ-রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তিন বছর মেয়াদি সার্ভিস কন্ট্রাক্টের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী অর্থবছরে ৪৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ ও ২৬০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসনে ২ হাজার ২৮ কোটি ৫৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প গত ২৬ এপ্রিল একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, প্রকল্পটির বিভিন্ন প্যাকেজে দরপত্র কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে অকেজো ও অব্যবহৃত ২০ সেট ডেমু ট্রেন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রেলপথে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর অংশের লেভেল ক্রসিংগুলো আন্ডারপাস বা ওভারপাসে রূপান্তরের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হালনাগাদ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে।

পাশাপাশি ঢাকা-টঙ্গী অংশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ক্রসিংয়ে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সতর্কীকরণ ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক উদ্যোগ সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য স্থানেও এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

রেলওয়ের যাত্রীসেবায় ডিজিটাল সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে কমলাপুর, বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার রেলস্টেশনে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) মাধ্যমে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই চালু করা হয়েছে।

এ ছাড়া পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস ও উপবন এক্সপ্রেসে স্টারলিংকের মাধ্যমে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রেলওয়ের সম্পদের কার্যকর ব্যবহার, আর্থিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সেবার পরিধি বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রেলওয়ের জমিতে রোলিং স্টক উৎপাদন কারখানা স্থাপনে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডুয়েলগেজ ও ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, নতুন ট্রেন ও লোকোমোটিভ সংগ্রহ, নিরাপত্তা জোরদার এবং ডিজিটাল যাত্রীসেবা-সব মিলিয়ে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হলে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে রেল সংযোগ জোরদার হবে এবং পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য অর্জনের পথ আরও সুগম হবে।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত