ব্যালন ডি’অর জিততে না পারলেও ভবিষ্যতে নিজের সময় আসবে বলে বিশ্বাস করেন স্পেন ও বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। পুরস্কারজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দিয়েছেন তিনি। তবে পোস্টে এবারের বিজয়ী ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ও বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনের নাম আলাদাভাবে উল্লেখ না করায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়ামে জমকালো অনুষ্ঠানে ব্যালন ডি’অর জেতেন হ্যারি কেইন। এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর পেছনে ছিলেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ইয়ামাল। ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার হাতছাড়া হওয়ার পর ইয়ামালের প্রতিক্রিয়া তাই আলোচনায় এসেছে।
মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ইয়ামাল লেখেন, ‘এটি একদিন আসবেই। ভালো জিনিস পেতে সময় লাগে। আমি যে পথ তৈরি করছি, তার ওপর আমার বিশ্বাস আছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘কোনো তাড়াহুড়ো নয়, বরং উদ্দীপনা ও শান্ত মন নিয়ে বিশ্বাস করি, একদিন আমার সময় আসবে। বিজয়ীদের অভিনন্দন। এখন আমার মনোযোগ আবার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে—বার্সেলোনাকে আরও একবার জেতানো।’
ইয়ামালের বক্তব্যে ভবিষ্যতে ব্যালন ডি’অর জয়ের প্রত্যাশা ফুটে উঠেছে। তবে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানানোর সময় কেইনের নাম আলাদাভাবে উল্লেখ না করায় এ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। যদিও পোস্টে কাউকে সরাসরি কটাক্ষ করেননি স্পেনের এই তরুণ তারকা।
ব্যালন ডি’অর জিততে না পারলেও পুরস্কারশূন্য থাকেননি ইয়ামাল। টানা তৃতীয়বারের মতো বর্ষসেরা তরুণ প্রতিভার পুরস্কার জিতেছেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড। অনুষ্ঠানে নিজের অর্জন নিয়েও বিনয়ী মনোভাব দেখান তিনি।
তবে ইয়ামালের চাচা আবদুল তাঁর ভাতিজার ব্যালন ডি’অর না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্প্যানিশ রেডিও স্টেশন ক্যাদেনা এসইআরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইয়ামালই বিশ্বের সেরা ফুটবলার। ভবিষ্যতে তাঁর ভাতিজা একাধিক ব্যালন ডি’অর জিতবেন বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
অন্যদিকে, কেইনের জয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক তারকা গুতিও। তাঁর মতে, ব্যালন ডি’অরের ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠান লন্ডনে আয়োজনের সঙ্গে কেইনের জয় মিলে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। তবে নিজের এই মন্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ তুলে ধরেননি তিনি।
২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন কেইন। ওই মৌসুমে ৭৩ গোল করে দলীয় সাফল্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।
জ/শা