ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ছাড়াল ৪৭ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গত জুলাইয়ের তুলনায় এই ব্যয় ২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে পেন্টাগনের একটি হিসাব থেকে জানা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা পেন্টাগনের তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে।

2026-10-28T11:38:10+06:00
2026-10-28T11:38:10+06:00
বুধবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২৬,
১২ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ছাড়াল ৪৭ বিলিয়ন ডলার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
⏲ ১১:৩৮ এএম | ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ | বুধবার
সংগৃহীত ছবি
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গত জুলাইয়ের তুলনায় এই ব্যয় ২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে পেন্টাগনের একটি হিসাব থেকে জানা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা পেন্টাগনের তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানায়, যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে পেন্টাগনের সর্বশেষ হিসাবটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে গত জুলাইয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।

পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য গোলাবারুদের মজুত পুনরায় পূরণ করতে ২৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া ধ্বংস হওয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান ও ড্রোনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কংগ্রেসের কাছ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ প্রয়োজন হতে পারে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুরুতে তিনি বলেছিলেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তবে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামেও এর প্রভাব পড়েছে।

যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে ইরানের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে। পরে তুলনামূলক কম খরচের বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান ভূগর্ভস্থ অস্ত্রের মজুত ও সামরিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আবার সক্রিয় করে।

পরবর্তী সময়ে ইরানের তেল রপ্তানি থেকে আয় বন্ধ করতে দেশটির ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করেন ট্রাম্প। মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবারও সামরিক অভিযান শুরুর সম্ভাবনাও তিনি নাকচ করেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্দেশ পাওয়া গেলে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই নির্বাচনের মাধ্যমে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির ব্যয় বৃদ্ধি এবং সংঘাত নিয়ে জনঅসন্তোষ রিপাবলিকান প্রার্থীদের ওপর চাপ তৈরি করেছে। বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে দলটি।

এদিকে পেন্টাগনের হিসাবের মধ্যে যুদ্ধ পরিচালনার বিভিন্ন খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো মেরামতের বিপুল ব্যয় স্পষ্টভাবে হিসাবটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মোট ব্যয় প্রকাশিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

জ/শা 


  বিষয়:   ইরান  যুক্তরাষ্ট্র  যুদ্ধ 


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত