সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

2026-10-10T12:58:28+06:00
2026-10-10T12:58:28+06:00
শনিবার ● ১০ অক্টোবর ২০২৬,
২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ১২:৫৮ পিএম | ১০ অক্টোবর, ২০২৬ | শনিবার
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু হিসেবে বিভাজন নয়, বরং সমঅধিকারের ভিত্তিতে সব নাগরিকের পরিচয় হবে বাংলাদেশি-এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন এক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি। রাষ্ট্রের কাছ থেকে, সমাজের কাছ থেকে এবং সরকারের কাছ থেকে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, সমান নিরাপত্তা, সমান স্বাধীনতা এবং সমান মর্যাদা পাবেন। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের এই অধিকার, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করাই সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা।’

আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘মহালয়া ১৪৩৩’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘মহালয়া মানেই নতুন আশার আলো, অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে আলোর জয় নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল বার্তা।’ সুন্দর ও সুশৃঙ্খল আয়োজনের জন্য তিনি গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমরা এমন একটি এলাকায় সমবেত হয়েছি, যা সংসদীয় আসন হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এলাকা। আমরা বিশ্বাস করি, সবাই মিলে সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা ছাপিয়ে আমাদের একটাই পরিচয় হবে, আর তা হলো আমরা সবাই বাংলাদেশি।’

এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সার্বিক কল্যাণ এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বৈষম্য কিংবা বিভেদের শিকার হতে হবে না। প্রতিটি মানুষ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচবেন এবং সমান মর্যাদা নিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অংশ নেবেন।’

দীর্ঘ সময় পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতি রেখে পূজার সরকারি ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আমরা চাই, এই উৎসবের আনন্দ একইভাবে সনাতনী সমাজের প্রতিটি মানুষের অন্তরে ছড়িয়ে পড়ুক।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শ্রী অলোক সাহা এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিনয় গোপাল রায়সহ অন্যরা।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত