গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ-ভাঙচুর, সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) সংবাদদাতা

জাতীয়

2026-11-01T19:40:15+06:00
2026-11-01T19:40:15+06:00
রোববার ● ১ নভেম্বর ২০২৬,
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ-ভাঙচুর, সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) সংবাদদাতা
⏲ ৭:৪০ পিএম | ১ নভেম্বর, ২০২৬ | রোববার
সংগৃহীত ছবি
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দিনভর উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ী থেকে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। আজ রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত মহাসড়কের ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে কালিয়াকৈরের মৌচাক, সফিপুর ও চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন এলাকার পোশাকশ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। পরে বিক্ষোভ কোনাবাড়ীসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকা পড়ে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহীসহ বিভিন্ন যানবাহন। দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।

একপর্যায়ে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংক, কয়েকটি পোশাক কারখানার ফটক এবং মহাসড়কের মৌচাক কাটার পুলিশ বক্সে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কোনাবাড়ী পুলিশ বক্সে ভাঙচুরের পর আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া আনসার একাডেমির সামনে পুলিশের একটি গাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি এবং টাঙ্গাইল থেকে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

এদিকে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ট্রপিক্যাল নিটেক্স লিমিটেডের ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পরে বিজিবির পাহারায় তারা ঘটনাস্থলে যায়। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি ও টাঙ্গাইল থেকে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

তিনি আরও জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে শিল্পাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত