গোপালগঞ্জে বিভিন্ন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচারণা জমে উঠেছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

দেশজুড়ে

জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে শুরু করেছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে । বলা যায় ইউপি নির্বাচন জমে উঠতে শুরু করেছে। সাম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রস্তুতি নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছেন যাতে নিজ নিজ অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

2026-10-17T14:35:17+06:00
2026-10-17T14:35:17+06:00
রোববার ● ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
দেশজুড়ে
গোপালগঞ্জে বিভিন্ন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচারণা জমে উঠেছে
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :
⏲ ২:৩৫ পিএম | ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ | শনিবার
সংগৃহীত ছবি
জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে শুরু করেছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে । বলা যায় ইউপি নির্বাচন জমে উঠতে শুরু করেছে। সাম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রস্তুতি নিয়ে  তোড়জোড় শুরু করেছেন যাতে নিজ নিজ অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। 

ব্যানার, ফেস্টুন,পোষ্টার টানিয়ে তারা প্রচার-প্রচারণা চালানো শুরু করেছেন। এলাকাভিত্তিক সভা করছেন নিজেদের ভাবমূর্তি জনমুখী করতে। প্রার্থীদের সাথে সাথে ভোটাররাও হিসেব কষতে শুরু করেছেন কার জয়ের পাল্লা ভারী আর কে বসবেন বিজয়ীর বেশে ইউনিয়ন পরিষদে।

জেলার কাশিয়ানি উপজেলার কাশিয়ানি সদর  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম পাভেল। এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সর্বত্র তার ব্যানার,পোষ্টার,ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে গাছের ডালে,বৈদ্যুতিক খুটিসহ বিভিন্ন স্থানে। 

তিনি বলেন,আমি গ্রামীন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান।আমার মরহুম পিতা মো: কোবাদ হোসেন কাশিয়ানি ইউপি মেম্বার ছিলেন।  আমার নানা মো: ইসহাক মুন্সি কাশিয়ানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং আমার মা ফরিদা বেগম ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত  ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলেন। আমার পরিবার এ ইউনিয়নের জনগনের সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।

কাশিয়ানি ইউনিয়নবাসী চেয়ারম্যান হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করলে আমি এলাকার উন্নয়নে সচেষ্ট থাকবো। রাস্তা-ঘাট নির্মান, বিদ্যুত-পানি সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ গণমানুষের উন্নয়নে সচেষ্ট থাকবো। ক্রীড়া ও চিত্তবিনোদনের সুব্যবস্থা এবং  ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ বিধবা,বয়স্ক, শিশুভাতা পেতে সকলকে সার্বিক সহায়তা করা হবে। সরকারি প্রকল্পের কাজ নিশ্চিত করে এবং  ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব আয়ের খাত বাড়িয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। আমি চাই মানুষের সেবা করতে। আমার পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে আমাকে সার্বক্ষণিক পজিটিভ হতে হবে। দলীয় নেতাদের নীতি ও আদর্শ সমুন্নত রাখতে আমার যা করা প্রয়োজন আমি তাই করবো।

একই উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম নাজমুল ওরফে রুবেল প্রচারনা শুরু করেছেন। 

তিনি বলেন, আমি বিএনপির একজন একনিষ্ঠ সমর্থক। ইউনিয়নবাসীর সুখেদুঃখে, বিপদেআপদে আমি পাশে থাকি। গরীব-দুঃখী ও মেহনতী মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে আমি কাজ করতে চাই।  ইউনিয়নের ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সাথে আমি সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছি।  ইউনিয়নবাসী আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করলে আমি রাতৈলকে একটি আধুনিক ও মডেল,মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত  ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দুর্নীতি পরিহার করে মানুষের সেবা করা আমার লক্ষ্য । রাতৈল ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সেবামুলক কর্মকান্ড পরিচালনা করার লক্ষ্য নিয়ে আমি চেয়ারম্যান পদে সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থী। 

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: জামির দাড়িয়া আসন্ন নির্বাচনে দলীয় সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি জানান কাজুলিয়া ইউনিয়নের সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের পাশে থাকবেন তিনি। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনি যোগাযোগ করছেন সমর্থন আদায়ের জন্য। সাধারন মানুষ তার সাথে আছে বলে জানান এই প্রার্থী । নির্বাচীত হলে তিনি কাজুলিয়াকে একটি ডিজিটাল ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। ইউনিয়নের বাসিন্দাদের  শিক্ষা,ক্রীড়া, ব্যবসার উন্নয়নে মানুষকে সহায়তা করা এবং সরকারি সকল প্রকল্প ও কর্মসুচি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা তার লক্ষ্য । গরীব,দুঃখী, মেহনতী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যন্নোয়নে অবদান রাখাই তার কাজ। 

একই ইউনিয়নের অপর সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আছাদউল্লাহ হাওলাদার একজন শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তি। টঙ্গী এলাকায় একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেছেন জাতীয়তাবাদী আদর্শের এই সমর্থক। তিনি বলেন, আমি আমার ইউনিয়নবাসীর কল্যানে কাজ করতে চাই। এলাকাবাসীর জন্য আমার কিছু করার আছে বলে আমি মনে করি। এখন সময় এসেছে নিজের মানুষের সেবা করার। আমি এতোকাল প্রস্তুতি নিয়েছি নিজ ইউনিয়নবাসীর সেবা করার মানসে। আমি কাজুলিয়কে একটি সমৃদ্ধ, ডিজিটাল ও যুগোপযোগী ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ আলীর ছেলে শেখ মোহাম্মদ কদর আলী আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন।  

তিনি বলেন, আমার পিতা ১৯৮৮ ও ১৯৯৬ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। আমি তার উত্তরসুরী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই চাই। কুশলি ইউনিয়নবাসী আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচীত করলে আমি কল্যানমুখী কাজ করতে চাই। সাধারন মানুষের সেবা করে আমি কুশলিকে একটি উন্নত ও স্বনির্ভর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। 

জ/শা 


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত