ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার পেছনে নিজের সিদ্ধান্তের কথা স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরই অভিযান থামানোর সুযোগ ছিল। তবে তিনি তখনও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
যুদ্ধ শুরুর দিকে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, সংঘাতটি ছয় থেকে আট সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তবে সেটি এখন সপ্তম মাসে গড়ানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কারণ আমি আরও এগোতে চেয়েছিলাম।”
ট্রাম্পের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বি-টু বোমারু বিমান দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার পরই অভিযান বন্ধ করা সম্ভব ছিল। তবে তার দাবি, ইরানি কর্মকর্তারা আবারও তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম শুরু করতে “উদগ্রীব” ছিলেন। একই স্থানে তা সম্ভব না হলেও অন্য কোনো জায়গা থেকে তারা সেই কার্যক্রম শুরু করতে পারতেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি সেখানেই থামতে পারতাম। কিন্তু আমার মনে হয়েছিল, সেটা ঠিক হবে না।”
তিনি আরও বলেন, ইরান যাতে “অন্য কোনো রূপে ফিরে আসতে” না পারে, সেটিই তিনি চেয়েছিলেন।
সাক্ষাৎকারে ‘ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার’ বিষয়ে ট্রাম্পের আগের হুমকির প্রসঙ্গও তোলা হয়। এর জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি সেটা করতে পারি।”
এ সময় এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, নিজেকে ‘প্রেসিডেন্ট অব পিস’ দাবি করা একজন ব্যক্তি কীভাবে একটি দেশকে “ধ্বংস করে দেওয়ার” কথা বলতে পারেন।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ইরানকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে আমরা বিশ্বে শান্তি এনেছি। আমার মনে হয় না, ইরানের সঙ্গে কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।”
জ/উ