পঞ্চগড়ে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার

পঞ্চগড়, প্রতিনিধি

দেশজুড়ে

2026-09-12T14:46:09+06:00
2026-09-12T14:46:09+06:00
শুক্রবার ● ৩০ অক্টোবর ২০২৬,
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
দেশজুড়ে
পঞ্চগড়ে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার
পঞ্চগড়, প্রতিনিধি
⏲ ২:৪৬ পিএম | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | শনিবার
পঞ্চগড়ে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান গনীকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বাংলা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আটোয়ারী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার উসমান গনীর বাড়ি আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের প্রেসিডেন্টপাড়া এলাকার জয়নুদ্দিনের ছেলে। 

পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচারণা চালিয়ে ‘ঝটিকা মিছিল’ এবং নাশকতার লক্ষ্যে গভীর রাতে গোপন বৈঠক করার অভিযোগে গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে ওসমান গণীর নাম উল্লেখ সহ নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নামে দুটি মামলা করে। দুই মামলায় মোট ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট ভোররাত ৪টার দিকে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কে সালন্দর ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকায় গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের সামনে এবং একই দিন রাত ৯টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের আর্ট গ্যালারি সিঙ্গার শোরুমের সামনের সড়কে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা গোপন বৈঠক ও সরকার বিরোধী স্লোগান দেওয়ার উদ্দেশ্যে জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে তাঁরা পালিয়ে যান। পরে গতকাল মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা দুটি করা হয়।

প্রথম মামলাটি করেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোলেমান গনি। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এ মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য রয়েল বড়ুয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওসমান গনি, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত হোসেন ওরফে রাব্বি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক ও সহসভাপতি মো. খাইরুল ইসলামসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এতে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়।

একই দিন রাতের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দ্বিতীয় মামলাটি করেন উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান। এ মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা উসকানিমূলক প্রচারণা চালিয়ে এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে ভীতি সৃষ্টি ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে গভীর রাতে গোপনে জড়ো হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল। 

এছাড়া, আটোয়ারী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা পূর্বের একটি মামলায় তাকে অজ্ঞাত আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিয়ার রহমান। 

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর তাকে আটোয়ারী থানায় নিয়ে আসা হয়। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।


Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত