বয়স শত ছুঁইছুঁই, শীতের রাতে অসহায় জীবন রহিম বাদশার

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

দেশজুড়ে

2026-01-10T15:34:34+06:00
2026-01-10T15:34:34+06:00
শুক্রবার ● ৩০ অক্টোবর ২০২৬,
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
দেশজুড়ে
বয়স শত ছুঁইছুঁই, শীতের রাতে অসহায় জীবন রহিম বাদশার
বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি
⏲ ৩:৩৪ পিএম | ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ | শনিবার
বয়স শত ছুঁইছুঁই, শীতের রাতে অসহায় জীবন রহিম বাদশার
মা–বাবার দেওয়া নাম রহিম বাদশা। বয়স একশ বছরেরও বেশি হবে বলে ধারণা স্থানীয়দের। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই বৃদ্ধ এখন আর ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। হাতের একটিমাত্র ভরসা-একটি বাঁশের লাঠি। সেই লাঠিতে ভর দিয়েই গুড়িগুড়ি পায়ে কোনোমতে চলাচল করেন তিনি।

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর ঘোষপাড়া পুকুরপাড়ে একটি ঝুপড়ি ঘরেই রহিম বাদশার বসবাস। একসময় ছিলেন প্রাণচঞ্চল ও রসিক মানুষ। যৌবনে দিনমজুরির কাজ করে সংসার চালাতেন। মাঠে কাজ শেষে ছাগলের পাল নিয়ে বের হতেন ঘাস খাওয়াতে। অভাবের মাঝেও টানাটানির সংসারে ছিল কর্মব্যস্ত জীবন।

রহিম বাদশা তিন ছেলে ও চার মেয়ের জনক। ছেলেমেয়েদের সবারই বিয়ে হয়েছে। ছেলেরা কৃষিকাজ করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছেন। নিজেদের জীবনের টানাপোড়েনে বাবার দিকে তাকিয়ে থাকার মতো সামর্থ্য তাদের নেই বললেই চলে।


বর্তমানে রহিম বাদশা একা চলাফেরা করতে পারেন না। তবুও সরকারি মেডিকেল থেকে ওষুধ আনতে মাঝে মাঝে কষ্ট করে জামনগর বাজারে আসতে হয় তাকে। বয়স আর শারীরিক দুর্বলতায় প্রতিটি পদক্ষেপই যেন তার জন্য যুদ্ধের সমান।

শীতের এই কনকনে ঠান্ডায় মানবেতর দিন কাটছে শতায়ু এই বৃদ্ধের। নেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র, নেই নিয়মিত চিকিৎসার ব্যবস্থা। দিন গোনা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই তার। সময়ের ভারে ক্লান্ত রহিম বাদশা এখন শুধু তাকিয়ে থাকেন জীবনের শেষ প্রান্তের দিকে।

এলাকাবাসীর দাবি, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত রহিম বাদশার পাশে দাঁড়ানো। শত বছরের জীবনের শেষ অধ্যায় যেন একটু মানবিক সহায়তায় কাটে-এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

জ/দি


Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত