কৃত্রিমভাবে পাসের হার বাড়ানো নয়, মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন: মাহদী আমিন

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

2026-10-31T17:58:16+06:00
2026-10-31T17:58:16+06:00
শনিবার ● ৩১ অক্টোবর ২০২৬,
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
কৃত্রিমভাবে পাসের হার বাড়ানো নয়, মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন: মাহদী আমিন
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ৫:৫৮ পিএম | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ | শনিবার
ছবি- মাহদী আমিন
উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় কৃত্রিমভাবে পাসের হার কিংবা জিপিএ-৫ বাড়িয়ে দেখানোর পুরোনো সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে মেধার প্রকৃত ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাজীবন রক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা এবং এসএসসি পরীক্ষার আদলে পূর্ণাঙ্গ উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

পরীক্ষার পরিবেশ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষামন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভির আওতা বাড়ানো এবং ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আনন্দমুখর ও ইতিবাচক পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

খাতা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনায় উত্তরপত্র মূল্যায়ন শতভাগ নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫ কিংবা পাসের হার বাড়িয়ে দেখানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন, প্রশ্নপত্রের মান বজায় রাখা এবং সততার সঙ্গে উত্তরপত্র মূল্যায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে একটি বছর ঝরে পড়া রোধে বিশেষ উদ্যোগের কথা জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মূল্যবান একটি বছর যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য দ্রুত পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সম্ভব হলে এক মাসের মধ্যেই এ পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এইচএসসির ফলাফলই জীবনের শেষ মাপকাঠি নয়। ফলাফলের চেয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও সাহস জোগানো বেশি জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সরকার শুধু প্রথাগত চিকিৎসক বা প্রকৌশলী তৈরির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। আধুনিক কারিগরি শিক্ষা, ভোকেশনাল কোর্স ও ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পছন্দ ও সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত