গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জনকে হত্যার মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। আগামী বুধবার (৭ অক্টোবর) মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিন মামলার পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের কথা ছিল। তবে অন্য একটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান থাকায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। এ সময় প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, মামুনুর রশিদ, মার্জিনা রায়হানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। নির্ধারিত সাক্ষীও এদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছিলেন।
আজ সোমবার সকালে কারাগারে থাকা কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন জুলাইযোদ্ধা হান্নান মিয়া।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন বিভিন্ন ধরনের উসকানি দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আরও অভিযোগ, তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের পর আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।
জ/উ