মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম, আর্টস অ্যান্ড কালচারাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স (ইনট্যাক-২০২৬)’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং বাংলাদেশি ট্রাভেলটেক প্রতিষ্ঠান এম ৩৬০ আইসিটি।
গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে (কেএলসিসি) তিন দিনব্যাপী এ মেলা শুরু হয়েছে। এতে বাংলাদেশের জন্য দুটি বুথ রাখা হয়েছে। এসব বুথে বিভিন্ন তথ্য ও উপকরণের মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা, আকর্ষণীয় গন্তব্য এবং পর্যটন প্রযুক্তির বিভিন্ন সেবা তুলে ধরা হচ্ছে।
বিদেশি দর্শনার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও তাদের সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশি বুথ পরিদর্শন করছেন।
মেলার অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় ওপেন স্টেজে বাংলাদেশের পর্যটনবিষয়ক বিভিন্ন ভিডিওচিত্র ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের সামনে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হয়।
শামিমার নেতৃত্বে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি সংস্কৃতিকর্মীদের একটি দলের আকর্ষণীয় পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে।
মেলার প্রথম দিন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী বাংলাদেশি বুথসহ মেলার অন্যান্য বুথ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মেলায় আগত দর্শনার্থীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার বাংলাদেশের পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতির পাশাপাশি এ খাতসংশ্লিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তি আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের কাছে পরিচিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এর আগে মেলা উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল (সচিবালয় প্রধান) একবাল সেতিয়াসহ সংশ্লিষ্ট অতিথি, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বুথ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান।
ইনট্যাক-২০২৬-এ বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশ ১৫৫টি বুথে অংশগ্রহণ করছে। মেলার মাধ্যমে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের কাছে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণ এবং এ-সংক্রান্ত তথ্যপ্রযুক্তি সেবা তুলে ধরা হচ্ছে।
একই সঙ্গে পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
জ/উ