বিমানবন্দরের ভৌত অবকাঠামোর অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতি তিন মাস পরপর পরিদর্শন ও মহড়া আয়োজনের নির্দেশনা দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার্থে আন্তর্জাতিক মানের মেইনটেনেন্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্তকরণ সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বেসরকারি উদ্যোগে বেসামরিক বিমানবন্দর স্থাপন ও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারী ও যাত্রী-উভয়ের জন্য সহায়ক হয় এমন একটি ‘বিনিয়োগ ও যাত্রীবান্ধব’ বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, ২০২৬ প্রণয়ন করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বেসামরিক বিমান খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। ফলে নতুন বিধিমালাটি অবশ্যই ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি বেসামরিক বিমান চলাচলে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। এ লক্ষ্যে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় বিধান সংযোজন করা হবে।
সভায় বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। নতুন বিধিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বিভিন্ন ধারা নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জ/উ