দেশজুড়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে রাতের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তবে এই সময়টাকে একঘেয়ে না ভেবে কাজে লাগানোরও রয়েছে কিছু সহজ উপায়। পরিবার, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং বিনোদনের জন্য লোডশেডিংয়ের সময়কে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিদ্যুৎ না থাকলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়। মোমবাতি বা হারিকেনের আলোয় গল্প-আড্ডা, পুরনো স্মৃতিচারণ কিংবা শিশুদের গল্প শোনানো পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে পারে। এছাড়া বই পড়া বা লেখালেখির জন্যও এই সময়টি উপযোগী। অনেকেই মৃদু আলোয় বই পড়তে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ডায়েরি লেখা, কবিতা বা ছোট গল্প লেখার অভ্যাসও গড়ে তোলা যায়।
লোডশেডিংয়ের রাত হতে পারে ছোটখাটো সাংস্কৃতিক আয়োজনের সময়। পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের নিয়ে গান গাওয়া, গিটার বাজানো কিংবা হালকা বিনোদনের মাধ্যমে সময়টিকে আনন্দমুখর করা সম্ভব। শহরের কৃত্রিম আলো কমে গেলে আকাশও পরিষ্কার দেখা যায়। তাই ছাদে উঠে তারা দেখা বা খোলা আকাশের নিচে কিছুটা সময় কাটানো মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে।
এদিকে লুডু, তাস বা ধাঁধার মতো ঘরোয়া খেলাগুলোও লোডশেডিংয়ের সময় জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে। এতে একদিকে যেমন সময় দ্রুত কেটে যায়, অন্যদিকে পরিবারের সবাই একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লোডশেডিংয়ের সময়কে বিরক্তির কারণ না ভেবে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে এটি মানসিক চাপ কমাতে এবং সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। তাই বিদ্যুৎ না থাকলেও সময় নষ্ট না করে, সামান্য উদ্যোগেই এই সময়কে অর্থবহ করে তোলা সম্ভব।