ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরের তিউনিসিয়া উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (২৩ আগস্ট) তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এক মুখপাত্র নৌকাডুবি ও প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিউনিসিয়ার প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে সাগর ও উপকূলজুড়ে সমন্বিত উদ্ধার অভিযান চলছে। কোস্টগার্ড, সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রটেকশন বিভাগের সদস্যরা এ অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। উদ্ধারকাজে দুটি সামরিক হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোরে তিউনিসিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল নৌকাটি। এতে থাকা অভিবাসীদের বড় একটি অংশই ছিলেন তরুণ। তিউনিসিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান জানান, নৌকাটিতে একই পরিবারের সাত সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া এক অন্তঃসত্ত্বা নারী তাঁর স্বামীর সঙ্গে নৌকাটিতে উঠেছিলেন।
নৌকাডুবির পর সাগরে ভেসে থাকা অবস্থায় মাত্র একজন তরুণকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ওই তরুণ জানান, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর একটি প্রবাসীমুখী বাণিজ্যিক জাহাজ তাঁকে উদ্ধার করে। নৌকাটিতে থাকা সব অভিবাসী তিউনিসিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বেন গেরদানে শহরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
নিখোঁজ স্বজনদের উদ্ধারে জোরালো অভিযান চালানোর দাবিতে গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে বেন গেরদানে শহরে স্থানীয় তরুণরা বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
জ/উ