স্বাস্থ্য ডেস্ক

স্বাস্থ্য

2026-08-16T14:15:39+06:00
2026-08-16T14:15:39+06:00
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
বাংলা English
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
Advertisement
স্বাস্থ্য
যে লক্ষণগুলো মস্তিষ্কের টিউমারের সতর্কসংকেত হতে পারে
স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৫ পিএম 
মস্তিষ্কের টিউমার প্রধানত দুই ধরনের-প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি। মস্তিষ্কের নিজস্ব কোষ বা আবরণী থেকে তৈরি টিউমারকে প্রাইমারি টিউমার বলা হয়। এর মধ্যে গ্লিওমা ও মেনিনজিওমা উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, শরীরের অন্য কোনো অঙ্গের ক্যানসার রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়লে সেটিকে সেকেন্ডারি টিউমার বলা হয়। ফুসফুস বা লিভারের ক্যানসার থেকে মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়া এর উদাহরণ।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

তীব্র ও বাড়তে থাকা মাথাব্যথা : দিন দিন মাথাব্যথার তীব্রতা বাড়া, বিশেষ করে সকালে বা ঘুম থেকে ওঠার পর তীব্র ব্যথা হওয়া সতর্কতার কারণ হতে পারে। হাঁচি, কাশি বা শরীরে চাপ পড়লে ব্যথা বেড়ে যাওয়া এবং সাধারণ ওষুধে আরাম না পাওয়াও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

দৃষ্টিশক্তির সমস্যা : হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। মস্তিষ্কের ভেতরের চাপ বেড়ে গেলে চোখের পেছনেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

বমি বা বমি বমি ভাব : কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই বমি হওয়া কিংবা দীর্ঘসময় বমি বমি ভাব থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

খিঁচুনি : হঠাৎ খিঁচুনি বা শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠা মস্তিষ্কের সমস্যার একটি সতর্কসংকেত হতে পারে।

অচেতন হয়ে যাওয়া : হঠাৎ জ্ঞান হারানো বা অচেতন হয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

কীভাবে শনাক্ত ও চিকিৎসা করা হয়
টিউমারের সম্ভাব্য লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিটি স্ক্যান (CT Scan) বা এমআরআই (MRI) করা হয়। রোগের ধরন ও অবস্থার ওপর নির্ভর করে বায়োপসি, সার্জিক্যাল রিসেকশন (অস্ত্রোপচার), রেডিয়েশন থেরাপি ও কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হতে পারে।

চিকিৎসার পরিকল্পনা নির্ধারণের আগে স্টেরিওট্যাকটিক চিকিৎসা বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিউরোসার্জারিতে থ্রি-টি ইন্ট্রাঅপারেটিভ এমআরআই (3T Intraoperative MRI) আধুনিক একটি প্রযুক্তি, যা অস্ত্রোপচারের সময় টিউমার অপসারণে নিখুঁততা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

বাংলাদেশেও রয়েছে চিকিৎসার সুযোগ
বাংলাদেশে ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগ এবং কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালেও এ চিকিৎসা দেওয়া হয়।

উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ নিউরোসার্জনের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলে জটিলতা ও ঝুঁকি কমানোর সুযোগ থাকে।

জ/উ






Advertisement
Loading...
Loading...
স্বাস্থ্য - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]