নোয়াখালীর সেনবাগে মধ্যরাতে আগুনে একটি মুদি দোকান ও একটি চায়ের দোকান পুড়ে গেছে। এতে দোকান দুটির মালামালসহ আনুমানিক ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা।
গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার ৮ নম্বর বিজবাগ ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি গ্রামে কর্ণফুলী ব্রিকফিল্ডের সামনে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, সিএনজি চালক মিজান ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দোকান দুটিতে আগুন জ্বলতে দেখে আশপাশের লোকজনকে ডাকতে থাকেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই দোকান দুটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকান দুটির মালিক জহির ও মহিন। স্থানীয়রা জানান, তারা দুজনই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। ছোট দোকান দুটির আয় দিয়েই কোনোভাবে পরিবারের খরচ চালাতেন তারা।
দোকান মালিক মহিন বলেন, ‘রাতে হঠাৎ দোকানে আগুন লাগার খবর পাই। এসে দেখি সবকিছু আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। দোকানের কোনো মালামালই রক্ষা করতে পারিনি। অনেক কষ্ট করে দোকানটি চালিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চলতাম। এখন সব হারিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। কীভাবে আবার ঘুরে দাঁড়াব, বুঝতে পারছি না।’
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘জহির ও মহিন খুবই গরিব মানুষ। অনেক কষ্ট করে দোকান করে পরিবার চালাতেন। তাদের এই ক্ষতি খুবই কষ্টদায়ক। এখন কীভাবে তাদের পরিবার চলবে, আল্লাহই ভালো জানেন।’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সেনবাগ থানার এসআই আব্দুর রব। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে দোকান দুটির মালামালসহ আনুমানিক ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জ/উ