উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা করা না হলেও সারাদেশের ন্যায় সোনাতলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়ানো শুরু করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় ইতিমধ্যে গণ সংযোগে নেমেছেন নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণে। নির্বাচনী প্রচারে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এলাকাবাসীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রঙ বেরঙের ব্যানার ফেস্টুন টানাচ্ছেন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে। অনেকে আবার লিফলেট নিয়ে হাঁট-বাজারসহ ব্যস্ততম এলাকায় নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিএনপির দূর্গ হিসেবে সোনাতলা উপজেলা একটি পৌরসভা ও ৭ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার। হাঁটে-মাঠে-ঘাটে এবং চায়ের দোকানে ইতিমধ্যেই আলোচন শুরু হয়ে গেছে কে কে হচ্ছেন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। এছাড়াও বিএনপি ও জামাতের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে কারা থাকছেন সেদিকেও দৃষ্টি রাখছেন ভোটাররা। বিএনপি ও জামাত তাদের দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা না করলেও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে একাধিক বিএনপি নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রামে গ্রামে মতবিনিময় সভা উঠান বৈঠকে নিজেদের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি একেএম আহসানুল হাবিব রাজা, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক লিপন, দিগদাইড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল হক টুল্লু, পাকুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লতিফুল বারী টিম, জোড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাজী রাশেদুজ্জামান হান্নান। জামাতের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হকের নামও শোনা যাচেছ লোকমুখে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর পরই ভোটারদের মুখে মুখে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী গুঞ্জন শুরু হয়ে যায়। পথে-ঘাটে, হাঁটে-বাজারে, হোটেল-রেস্তোরায়, চায়ের দোকানে এখন শুধুই নির্বাচনী আলাপ আলোচনা, কে হচ্ছে বিএনপি জামাতের দলীয় প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কে কে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। পাশাপাশি সৎ, যোগ্য, ভদ্র, জনবান্ধব প্রার্থী নিয়েও আলোচনা চলছে। এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখাসহ সোনাতলা উপজেলাকে একটি মাদক ও চাঁদাবাজ মুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আপোষহীন প্রার্থীর দিকেই সোনাতলাবাসীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছেন বলে সুধীজনরা মতামত ব্যক্ত করেছেন।