টানা তিন দফা দাম বাড়ানোর পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, শনিবার (৭ নভেম্বর) দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনা বিক্রি হচ্ছে। গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। আগের নির্ধারিত দামের তুলনায় ভরিতে কমেছে ২ হাজার ৭৪১ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৭১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৪০ টাকা।
এর আগে, গত ৫ নভেম্বর সকালে তৃতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা।
এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির ক্ষেত্রে নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বাজুস। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময়ের (এক্সচেঞ্জ) ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলঙ্কার কেনার (পারচেজ) ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস।
জ/শা