‘একটি দলের প্রধান নেতা চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন’: রাশেদ খাঁন

জবাবদিহি ডেস্ক

রাজনীতি

2026-10-24T18:19:46+06:00
2026-10-24T18:19:46+06:00
শনিবার ● ২৪ অক্টোবর ২০২৬,
৮ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
রাজনীতি
‘একটি দলের প্রধান নেতা চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন’: রাশেদ খাঁন
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ৬:১৯ পিএম | ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ | শনিবার
মো. রাশেদ খাঁন
প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি দেশের একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান নেতা চালু করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তবে ওই নেতা নেতিবাচক উদ্দেশ্যে কাউকে চুমু দেন, এমন দাবি তিনি করছেন না বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

রাশেদ খাঁনের মতে, কোনো নেতার আচরণে প্রভাবিত হয়ে অন্য কেউ একই ধরনের আচরণ করলে কিংবা সুযোগসন্ধানী কেউ শিশুদের প্রতি কুনজর দিলে তার পরিণতি কী হতে পারে, তা টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনায় দেখা গেছে।

সম্প্রতি গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক ছাত্রীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা অভিযুক্ত শিক্ষককে চড় মারেন। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘চুমু দেওয়া একজন শিক্ষকের কাজ নয়, একজন রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়। টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় ৭ বছরের শিশুকন্যাকে ওই মাদ্রাসার অভিযুক্ত একজন শিক্ষক কর্তৃক চুমু দেওয়া এবং পরবর্তীতে শিশুটির বাবা কর্তৃক অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনা সারাদেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর অনেক বাবা-মাকে তার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে লক্ষ করা যাচ্ছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আবার এই ঘটনাকে সামনে এনে কারও কারও মাদ্রাসা শিক্ষাবিরোধী ক্যাম্পেইনও করতে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু কোনো ব্যক্তির অপরাধের জন্য পুরো মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় না। ওই বাবাও তার বক্তব্যে এমনটাই তুলে ধরেছেন।’

দেশের মাদ্রাসার শিক্ষকেরা এ ধরনের ঘটনার প্রতিকার বের করে প্রতিবাদ জানাবেন এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।

অভিভাবকদের উদ্বেগের প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আমাদের সব বাবা-মায়ের কাছে সন্তান একটি পবিত্র আমানত। এই আমানতের দিকে কেউ কুনজর দিলে বাবা-মায়ের ক্ষুব্ধ হওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না, একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন। হয়তো শিশু বা কারও প্রতি স্বাভাবিক আদর কিংবা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তিনি চুমু দেন। কিন্তু তার আচরণের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অন্য কেউ এমন আবেগ প্রকাশ করলে কিংবা দুশ্চরিত্র সুযোগসন্ধানী লোকজন শিশুদের দিকে কুনজর দিলে, এর পরিণতি কী হতে পারে, সেটি টঙ্গীতে পরিলক্ষিত হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমি বলছি না যে, সেই দলের প্রধান নেতা কোনো নেতিবাচক সেন্স থেকে চুমু দিয়ে কারও প্রতি ভালোবাসা বা আদরের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। তবে বর্তমান বাস্তবতা ও প্রেক্ষাপটে এই ধরনের চুমু দেওয়া একজন শিশু কিংবা কোনো ব্যক্তির জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। আশা করি, টঙ্গীর ঘটনার পরে ওই দলের প্রধান নেতাও সংশোধন হবেন।’

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত