পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে এক হাজার গোলের মাইলফলকের আরও কাছে পৌঁছেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে উজবেকিস্তানের নেফতচি ফারগোনার বিপক্ষে আল নাসরের ৩-১ গোলের জয়ে একটি গোল করেছেন তিনি। এ নিয়ে তাঁর পেশাদার ক্যারিয়ারে মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮১-এ। হাজার গোলের মাইলফলক ছুঁতে আর মাত্র ১৯ গোল প্রয়োজন তাঁর।
প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে আল আইনের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছিল আল নাসর। দ্বিতীয় ম্যাচে কিং ইউনিভার্সিটি স্টেডিয়ামে নেফতচি ফারগোনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে সৌদি আরবের ক্লাবটি।
ম্যাচের ৩০তম মিনিটে নাওয়াফ বৌশালের অ্যাসিস্টে গোলরক্ষক বোতিরালি এরগাশেভকে পরাস্ত করে আল নাসরকে এগিয়ে দেন অ্যাঞ্জেলো।
এর আগে ১৫ মিনিটে পেশির চোটে মাঠ ছাড়তে হয় কিংসলে কোমানকে। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন আইমান ইয়াহিয়া। গুরুত্বপূর্ণ এই খেলোয়াড়ের চোটে শুরুতেই ধাক্কা খায় আল নাসর।
প্রথমার্ধের খেলা শেষ হওয়ার ঠিক আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রোনালদো। আইমান ইয়াহিয়ার কাছ থেকে পাস পেয়ে বল জালে পাঠান পর্তুগিজ তারকা। এটি ছিল তাঁর পেশাদার ক্যারিয়ারের ৯৮১তম গোল। ফলে এক হাজার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলক থেকে আর মাত্র ১৯ গোল দূরে রয়েছেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আলিশার ওদিলোভের গোলে ব্যবধান কমায় নেফতচি ফারগোনা। এতে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে উজবেকিস্তানের দলটির। তবে আনভারজো গোফুরোভের আত্মঘাতী গোলে সেই আশায় বাধা পড়ে। খেলা শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট আগে আল নাসর ৩-১ গোলে এগিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে সৌদি ক্লাবটি।
এদিকে আন্তর্জাতিক বিরতিতে পর্তুগাল দলের কোচের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে মাঝপথে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়েন রোনালদো। ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ক্যাম্প ত্যাগ করায় তাঁকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব বিতর্কের মধ্যেও মাঠে নিজের পারফরম্যান্স ধরে রেখেছেন এই তারকা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করে আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি।
জ/শা