সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমার আকাশে ইরানের একটি হামলাকারী ড্রোন ধ্বংস করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ঘটনাটিকে ‘বিপজ্জনক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানের কঠোর সমালোচনা করেছে আবুধাবি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের নিরাপত্তাকে লক্ষ্য করে এ ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আইনগত অধিকার তাদের রয়েছে।
এর আগে ইরান দাবি করে, লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইরানের এই দাবি নাকচ করে আমিরাত সরকার জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে কোনো সামরিক ঘাঁটিতে সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটেনি।
আমিরাতের বক্তব্য অনুযায়ী, ড্রোনটি তাদের সমুদ্রসীমার ওপর দিয়ে অগ্রসর হওয়ার সময়ই বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে শনাক্ত করে এবং আকাশেই ধ্বংস করে দেয়।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ দিনের উত্তেজনার প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে এমনিতেই বিরাজ করছে অস্থির পরিস্থিতি। এর মধ্যে আমিরাতের জলসীমায় ইরানি ড্রোন প্রবেশ ও তা ধ্বংসের ঘটনা আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে নতুন করে সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে পুরো অঞ্চলে।
সূত্র: আল জাজিরা