ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়।
দিবসটি উপলক্ষে উপ-হাইকমিশনার মো. খালেদের সভাপতিত্বে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। পরে দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা সভায় উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য দেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে উপ-হাইকমিশনার মো. খালেদ দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন।
তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতীয় জীবনে এক অনন্য অনুপ্রেরণার উৎস। ঐতিহাসিক সংহতির সেই মূলমন্ত্র ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কেবল নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
জ/দি