গোপালগঞ্জের বৃদ্ধ শামসুল হকের খোঁজ নিতে প্রতিনিধি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

দেশজুড়ে

2026-11-06T15:33:27+06:00
2026-11-06T15:33:27+06:00
শুক্রবার ● ৬ নভেম্বর ২০২৬,
২১ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
দেশজুড়ে
গোপালগঞ্জের বৃদ্ধ শামসুল হকের খোঁজ নিতে প্রতিনিধি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
⏲ ৩:৩৩ পিএম | ৬ নভেম্বর, ২০২৬ | শুক্রবার
ছবি- গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৯৫ বছর বয়সী হাজী শামসুল হক মোল্লার দুরবস্থার খবর জানতে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছয় সন্তানের বাবা হয়েও আশ্রয়হীন হয়ে গাছতলায় থাকার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরণ গ্রামে হাজী শামসুল হক মোল্লার বাড়িতে যান। তাঁরা বৃদ্ধের শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।

এ সময় মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বৃদ্ধের নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরেজমিনে তাঁরা জানতে পেরেছেন, শামসুল হকের ছেলেরা তাঁকে আবার বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং আমৃত্যু দায়িত্ব পালনের আশ্বাস দিয়েছেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে।

এর আগে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বৃদ্ধ শামসুল হকের আশ্রয়ের ব্যবস্থা হয় বড় ছেলে আজিজুল হক মোল্লার বাড়িতে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে তিনি বাবাকে নিজের ঘরে নিয়ে যান।

জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল-আরেফীন শামসুল হকের দুই ছেলে ও চার মেয়েকে তাঁর কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। এ সময় তাঁদের বাবার দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে বড় ছেলে আজিজুল হক বাবার দায়িত্ব নিতে সম্মত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোটালীপাড়া উপজেলার উত্তর হিরণ গ্রামের ওমেদ আলী মোল্লার ছেলে হাজী শামসুল হক জীবনের দীর্ঘ সময় পরিশ্রম করে দুই ছেলে ও চার মেয়েকে বড় করেছেন। কয়েক বছর আগে জমি বিক্রি করে তিনি হজ পালন করেন। অবশিষ্ট জমি সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পর দেশে ফিরে তিনি সন্তানদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত আশ্রয় ও সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তিনি বড় মেয়ে মায়া বেগমের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

গত ৩ নভেম্বর সকালে মায়া বেগম বাবাকে ভাইদের বাড়িতে নিয়ে গেলে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে গাছের নিচে রেখে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমদ, শাহাদাত হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, ছাত্রনেতা মশিউর রহমান মহান ও আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত