আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক

খেলাধুলা

সান্ত্বনার জয়টাও পাওয়া হলো না বাংলাদেশের। আফগানিস্তান ১২০ রান করার আগেই শেষ হয়ে যায় শান্ত-তাসকিনদের ফাইনালে ওঠার আশা। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে শূন্য হাতে ফিরতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

2026-10-22T09:06:50+06:00
2026-10-22T09:06:50+06:00
বৃহস্পতিবার ● ২২ অক্টোবর ২০২৬,
৬ কার্তিক ১৪৩৩
Advertisement
খেলাধুলা
আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ
স্পোর্টস ডেস্ক
⏲ ৯:০৬ এএম | ২২ অক্টোবর, ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সংগৃহীত ছবি
সান্ত্বনার জয়টাও পাওয়া হলো না বাংলাদেশের। আফগানিস্তান ১২০ রান করার আগেই শেষ হয়ে যায় শান্ত-তাসকিনদের ফাইনালে ওঠার আশা। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে শূন্য হাতে ফিরতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

দুবাইয়ের শারজাহ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ফাইনালে ওঠার সমীকরণে আগে ব্যাটিং করাই তুলনামূলক সুবিধাজনক ছিল বাংলাদেশের জন্য। তবে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সেই সিদ্ধান্ত কাজে আসেনি। পারভেজ হোসেন ইমনের ৭০ রানের ইনিংসে ভর করে ৪২তম ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ১৬০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৯ রানেই দুই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। ইনিংসের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে (৬) বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। সপ্তম ওভারে সেদিকউল্লাহ অটলকেও (৪) বোল্ড করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন তিনি।

তবে তৃতীয় উইকেটে ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহর ৫৬ রানের জুটি বাংলাদেশের সেই আশায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ইব্রাহিম ক্যাচ তুলে দিলে জুটি ভাঙে। মিডউইকেটে পেছনের দিকে লাফিয়ে ক্যাচটি তালুবন্দি করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে সঙ্গে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন রহমত শাহ। ১১৯ রানের মাথায় পৌঁছে ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করে আফগানিস্তান।

৬৬ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৪তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন রহমত। শেষ পর্যন্ত ৬৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। অন্যদিকে হাশমতউল্লাহ শহীদি অপরাজিত থাকেন ৩৬ রানে। ৮৭ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে জয় পায় আফগানিস্তান। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ দুটি এবং মুস্তাফিজুর রহমান একটি উইকেট নেন।

চোটের কারণে নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস ছিটকে পড়ায় সিরিজে সুযোগ পাওয়া পারভেজ হোসেন ইমনই বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে একমাত্র উজ্জ্বল দিক ছিলেন। তাঁর সঙ্গে সাইফ হাসান ছাড়া অন্য কেউ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জোড়া উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মাঝের ওভারগুলোতেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর ধারা অব্যাহত থাকে। তবে পঞ্চম উইকেটে ইমন ও সাইফ হাসানের ৯৩ রানের জুটি বাংলাদেশকে লড়াই করার মতো অবস্থানে নিয়ে যায়। এই জুটিই শেষ পর্যন্ত ইনিংসের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের হয়ে ইমন ৯৬ বলে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। সাইফ হাসান ৮২ বলে দুটি চার ও একটি ছক্কায় করেন ৪১ রান। এ ছাড়া নাজমুল হোসেন শান্তর ১৫ রান ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। চার ব্যাটার ফিরেছেন শূন্য রানে।

আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন রশিদ খান। তিনি চারটি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই দুটি করে উইকেট নেন।

ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতা আর প্রতিপক্ষের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হার দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ হলো বাংলাদেশের।

জ/শা


  বিষয়:   খেলাধুলা  ক্রিকেট  বাংলাদেশ  আফগানিস্তান 


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত