প্রবাসী আয় বৃদ্ধি ও ডলার সংকট কমে আসায় ভোগ্যপণ্য, শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য আগের চেয়ে বেশি ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছেন আমদানিকারকরা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় সামগ্রিকভাবে এলসি খোলা বেড়েছে ১৭.৯২ শতাংশ। একই সময়ে এলসি নিষ্পত্তি বেড়েছে ১০.৭৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসে সামগ্রিকভাবে ১ হাজার ৩৯৪ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৮২ কোটি ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এলসি খোলা বেড়েছে ২১১ কোটি ৮ লাখ ডলার বা ১৭.৯২ শতাংশ।
এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ১ হাজার ২৪৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ে নিষ্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১২৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে এলসি নিষ্পত্তি বেড়েছে ১২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা ১০.৭৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে ভোগ্যপণ্য আমদানির জন্য ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১০০ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ভোগ্যপণ্য আমদানিতে এলসি খোলা বেড়েছে ২৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা ২৫.৫০ শতাংশ।
জ/উ