ডেঙ্গু রোধে সপ্তাহে দুই দিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জবাবদিহি ডেস্ক

জাতীয়

ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে প্রত্যেক নাগরিক ও পরিবারকে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে ঘরবাড়ি, আশপাশের এলাকা ও চলাচলের পথ পরিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

2026-10-15T07:16:36+06:00
2026-10-15T07:16:36+06:00
বৃহস্পতিবার ● ১৫ অক্টোবর ২০২৬,
৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
Advertisement
জাতীয়
ডেঙ্গু রোধে সপ্তাহে দুই দিন ঘরবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জবাবদিহি ডেস্ক
⏲ ৭:১৬ এএম | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সংগৃহীত ছবি
ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে প্রত্যেক নাগরিক ও পরিবারকে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে ঘরবাড়ি, আশপাশের এলাকা ও চলাচলের পথ পরিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, আমরা প্রত্যেক ব্যক্তি ও পরিবার সপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিয়ে আমাদের ঘরবাড়ি, আশপাশের এলাকা এবং প্রতিদিন চলাচলের পথে যেসব স্থানে ডেঙ্গু মশার বংশবিস্তার হতে পারে, সেসব জায়গা পরিষ্কার করি।’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, বিশেষ করে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিষ্কার করাকে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ঘরের আনাচকানাচ, রাস্তাঘাট ও জনসমাগমস্থলে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করে। এসব জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার করা গেলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আরও বেশি সফল হওয়া সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন বয়সের মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হচ্ছেন, এমনকি প্রাণও হারাচ্ছেন। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বহু পরিবারকে স্বজন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

জাতীয় বিভিন্ন অর্জনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একসঙ্গে কাজ করে অনেক বড় সাফল্য অর্জন করেছে। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করেছে, ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সফল হয়েছে এবং ২০২৪ সালে সর্বস্তরের মানুষের প্রচেষ্টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল করেছে।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘আমরা যদি সবাই মিলে এসব অর্জন করতে পারি, তাহলে দেশের অন্যান্য সমস্যা সমাধানে কেন সম্মিলিতভাবে অবদান রাখতে পারব না?’

দেশে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের অংশগ্রহণের বিষয়টিও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি জানান, দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় আড়াই কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), স্কাউটস, গার্ল গাইডস ও রেড ক্রিসেন্টের মতো বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ও এসব সংগঠনের সদস্যরা প্রায় এক মাস ধরে প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় যতটা সম্ভব ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের চেষ্টা করছেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকার ওপর নির্ভর করার চেয়ে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিষ্কার করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা বেশি কার্যকর। বিভিন্ন পরীক্ষায় ডেঙ্গুর টিকার কার্যকারিতা সীমিত বলে দেখা গেছে।’

সরকারের কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি সরকার তখনই সফল হয়, যখন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশের জন্য কাজ করে। সরকার ও জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে চায় সরকার।

সবাইকে একযোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ রোগে আক্রান্ত বহু রোগীর প্রাণহানি রোধ করা সম্ভব। তাই আসুন, সবাই মিলে চেষ্টা করি। সবাই চেষ্টা করলে আগামী দিনে ডেঙ্গুর অভিশাপ থেকে বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে পারব।’

জ/শা


  বিষয়:   প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান  ডেঙ্গু 


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত