জয়পুরহাটের পাঁচবিবি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার চৌধুরী দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় দশ বছর পর মামলা জটিলতায় সাময়িক বরখাস্ত হাওয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোঃ শাহিনুর রহমান প্রতিষ্ঠানে গিয়ে অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টম্বর) সকাল ১০ টায় স্থানীয় লোকজন সহ পাঁচবিবির বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে তিঁনি চেয়ার বসেন। এ সময় অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ ঘটনায় নিজেকে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ হিসেবে দাবি করে চেয়ার বসে জেলা-উপজেলার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিঁনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানের সূচনালগ্ন থেকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন তিঁনি। গত ২০১৭ সালে কিছু কুচক্রী মহল তাকে ছিনতাই ও ষড়যন্ত্রমূলক ঢাকার আাগারগাঁও শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মিথ্যা মামলায় দুই দিন কারাভোগের পর জামিন পেলেও আর প্রতিষ্ঠানে এসে ঢুকতে পারিনি। বিগত সরকারের কুচক্রীমহল তাকে কলেজে বসতে দেয় নাই এবং তাদের ইন্ধনে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
তিঁনি আরোও বলেন, আমার নামে আনিত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা আদালতের মাধ্যমে ২০২৫ সালে অব্যাহতি পাই। ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট পুনর্বহালের আবেদন করলে কোন প্রকার গুরুত্ব বা স্বপদে বহাল না করে কালক্ষেপণ করেন। এমতাবস্থায় ১৮০ দিন অতিবাহিত হলেও মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এলাকার সুধিজন, ছাত্র/ছাত্রী অভিভাবক অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মণ্ডলী এবং ছাত্র/ছাত্রীবৃন্দ আমাকে আমার পদে আসীন করেন।
এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার বলেন, এ ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই আপনাদের যা জানার আছে তা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ইউএনওর কাছে জানুন। এলাকাবাসীরা বলেন, প্রতিষ্ঠানটির এ ঘটনায় শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে। অবিলম্বে এই সমস্যাটি সমাধানের জোর দাবি জানান।
প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. কশপিয়া তাসরিন বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি। বিধি মোতাবেক যে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার সেটিই করা হবে।