মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দ্রুত একটি চুক্তি সম্পাদনের শর্তে তিনি ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন। রোববার (২ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, বিশ্বের ভবিষ্যৎ স্বার্থ এবং একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরানের টিকে থাকার কথা বিবেচনায় নিয়েই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এজন্য ইরানকে দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।
এর আগে মার্কিন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, চলতি সপ্তাহেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন ও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছিল যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি তেহরান অভিযোগ করে, ওয়াশিংটন অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করা কোনো আঞ্চলিক রাষ্ট্র ‘যুদ্ধের আগুনে ভস্মীভূত হবে’ বলে সতর্ক করে।
এদিকে সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজন হলে এলাকা ত্যাগের প্রস্তুতি নিতে আগে থেকেই আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে তুরস্কের বার্তাসংস্থা টিআরটির বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করেছে।
ইসরায়েলি দৈনিক ইয়েদিয়োত আহরোনোত জানিয়েছে, দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল, ট্রাম্প যেকোনো সময় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। অন্যদিকে চ্যানেল-১২–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলও সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। একটি অজ্ঞাতনামা সূত্রের দাবি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা ‘বিস্ফোরিত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে’ রয়েছে। সূত্র: বিবিসি
জ/উ