গুম-নির্যাতন অপরাধে হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী

নিউজ ডেস্ক

আইন-আদালত

2026-01-19T12:53:21+06:00
2026-01-19T12:53:21+06:00
শনিবার ● ৩ অক্টোবর ২০২৬,
১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Advertisement
আইন-আদালত
গুম-নির্যাতন অপরাধে হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী
নিউজ ডেস্ক
⏲ ১২:৫৩ পিএম | ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ | সোমবার
গুম-নির্যাতন অপরাধে হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিচ্ছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী
জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার বা জেআইসি সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিচ্ছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার কিছুক্ষণ আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

২০১৬ সালে গুমের শিকার হয়েছিলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। প্রায় সাত মাস পর ২০১৭ সালের মার্চে বাড়ি ফেরেন তিনি। জবানবন্দিতে গুম হওয়ার সেসব বর্ণনা তুলে ধরবেন। এরই মধ্যে সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেছেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর ১৩ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশের পাশাপাশি সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন।

তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। এদিন সকালে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।


পলাতক ১০ আসামির পাঁচজনই ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বিভিন্ন মেয়াদে। এর মধ্যে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

বাকিরা হলেন– শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।


প্রসিকিউশনের আনা পাঁচটি অভিযোগের সময়কাল হলো ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময়ে গুম হন ২৬ জন। জেআইসি সেলে গুমের পর আটকে রেখে তাদের নির্যাতনের বীভৎসতা তুলে ধরেছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানিতে এসব বর্ণনা করেন তিনি। যদিও ৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার তিন আসামির অব্যাহতি চান আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। চারটি কারণ (গ্রাউন্ড) দেখিয়ে এ অব্যাহতি চাওয়া হয়। দুলুর শুনানি শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হাসান ইমাম, আমির হোসেনসহ অন্যরা।

গুমের মামলায় সর্বপ্রথম গত বছরের ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা তিন সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। ৮ অক্টোবর ১৩ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া ফরমাল চার্জ বা অভিযোগ আমলে নেন আদালত।

জ/উ


Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত