বাগেরহাট প্রতিনিধি

ভ্রমণ

2026-01-05T16:03:09+06:00
2026-01-05T16:03:09+06:00
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
বাংলা English
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
ভ্রমণ
সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ, ফিরে যাচ্ছেন পর্যটকরা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম 
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলে সুন্দরবনে চলাচলকারী পর্যটনবাহী নৌযানের মালিকরা ধর্মঘট শুরু করেছেন। এর ফলে সুন্দরবনগামী প্রায় ৪০০টি জালিবোট, লঞ্চ ও ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পর্যটকরা গন্তব্যে যেতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

সোমবার ভোর থেকে নৌযান মালিকদের এই ধর্মঘট শুরু হয়। মালিকপক্ষ জানায়, ধর্মঘটের অংশ হিসেবে তারা স্বেচ্ছায় সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছেন।

নৌযান মালিকদের অভিযোগ, গতকাল রবিববার মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় নোঙর করা প্রায় ৩০টি জালিবোটের ওপরের কাঠামো কেটে ও ভেঙে নিয়ে গেছে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এতে বোটগুলোর সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে, পাশাপাশি পর্যটকদের আরামদায়ক বসার ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অধিদপ্তরের এমন আচরণ এবং আরোপিত কিছু শর্তকে ‘ব্যয়বহুল ও পূরণ করা সম্ভব নয়’ দাবি করে তারা ধর্মঘটের ডাক দেন।


মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'নৌযান মালিকেরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে জালিবোট, ট্রলার ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট শুরু করেছে। ধর্মঘটের আওতায় প্রায় ৪০০ নৌযান রয়েছে। অধিদপ্তর কিছু শর্তও দিয়েছে, যা বোট মালিকদের পক্ষে ব্যয়বহুল পূরণ করা সম্ভব নয়। এমন হয়রানি বন্ধ না হলে সুন্দরবনগামী নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।'   

নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটকরা। যশোর থেকে পরিবার নিয়ে আসা পর্যটক সাজেদ রহমান বলেন, 'সুন্দরবন ভ্রমণের উদ্দেশ্যে এসে মোংলার পিকনিক কর্নারে আটকে পড়েছি। গাড়ি থেকে নামার পর শুনছি, নৌযান ধর্মঘট চলছে।'

খুলনার চুকনগর থেকে আসা রেজাউল করিম বলেন, 'আমরা এক বাসে ৫৪ জন এসেছি। এসে দেখি, কোনো নৌযান চলাচল করছে না। পুরো ভ্রমণটাই বৃথা হয়ে গেল।' 


সুন্দরবনের করমজল পর্যটনকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, 'সোমবার ভোর থেকেই এখানে কোনো নৌযান ও পর্যটক আসেনি।'

তবে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের পরিদর্শক মো. রাশেদুল আলম বলেন, জালিবোটগুলোর ওপরের অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে নিরাপত্তার স্বার্থে। এতে নৌযানের ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই অধিদপ্তরের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

জ/দি





Loading...
Loading...
ভ্রমণ - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]