দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন দিনের ছুটির ব্যবস্থা করায় সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি। এবার সারাদেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি এবং ঢাকা মহানগরে ২৫৮টি মন্দির-মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দুর্গাপূজার মণ্ডপগুলোতে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ১১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ছাত্র নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত করা।
এ ছাড়া মণ্ডপগুলোতে দিন-রাত সার্বক্ষণিক নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে পাহারার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের তালিকা সংশ্লিষ্ট নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠাসহ আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীতে ষষ্ঠীপূজা ও দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী ও মহানবমীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের মূল আয়োজন শেষ হবে।
এদিকে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকছে। ২০ অক্টোবর মহানবমী উপলক্ষে সরকারের নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি এবং ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এর পর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি উপভোগ করবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
জ/উ