বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় আজ শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। শহরটির বায়ুমান সূচক (একিউআই) স্কোর ১৯০, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। অন্যদিকে, ৬৪ স্কোর নিয়ে তালিকার অষ্টম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তালিকায় ১৮৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর ১৮৪ স্কোর নিয়ে তৃতীয়, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ১৭৯ স্কোর নিয়ে চতুর্থ এবং ভিয়েতনামের হ্যানয় ১৭৭ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরকে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর হলে তা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাংলাদেশে বায়ুমান সূচক নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি উপাদানের ভিত্তিতে। এগুলো হলো—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও২), কার্বন মনোক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও২) এবং ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হিসেবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণকাজের ধুলাকে চিহ্নিত করা হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, দীর্ঘস্থায়ী অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। সংস্থাটির হিসাবে, বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।
জ/শা