সন্দ্বীপে ২৫ জলাশয়ে ১৭৫ কেজি রুই পোনা অবমুক্ত

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

দেশজুড়ে

2026-09-30T19:09:13+06:00
2026-09-30T19:09:13+06:00
বুধবার ● ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Advertisement
দেশজুড়ে
সন্দ্বীপে ২৫ জলাশয়ে ১৭৫ কেজি রুই পোনা অবমুক্ত
সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
⏲ ৭:০৯ পিএম | ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | বুধবার
ফাইল ছবি
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২৫টি প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে ১৭৫ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে এসব মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোতাছিম বিল্লাহ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মোহসীন আলম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সন্দ্বীপ শাখার ব্যবস্থাপক মো. আক্তারুজ্জামান সুজন এবং সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, সন্দ্বীপ শাখার ব্যবস্থাপক।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের, সদস্য সচিব আলমগীর ঠাকুর, সংসদ সদস্যের পিএস মাস্টার আবুল কাসেমসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সন্দ্বীপ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২৫টি প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মোট ১৭৫ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা ছাড়া হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো, দেশীয় মাছের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পরিকল্পিতভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হলে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে জলাশয়ের পরিবেশ সংরক্ষণ জরুরি।

তারা আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি, পুষ্টি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে মৎস্যসম্পদ গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয়ে মাছের নিরাপদ প্রজনন ও বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বক্তারা জলাশয় সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের সচেতনতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তারা জলাশয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকার, নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার এবং মাছের প্রজনন ব্যাহত হয়-এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জলাশয়ের পরিবেশ রক্ষা ও মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

জ/উ



Advertisement
সর্বশেষ
‹ ›
সর্বাধিক পঠিত
‹ ›
যোগাযোগ  |   আমাদের পরিচয়  |   গোপনীয়তা নীতিমালা  |   ব্যবহারের শর্তাবলি  |   দায়মুক্তি  |   বিজ্ঞাপন নীতিমালা
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত