শরতের নীল আকাশ, সাদা মেঘ আর বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুল জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের। প্রকৃতির এমন মনোরম আয়োজনে নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মীয়মাণ ক্যাম্পাস এলাকা এখন পরিণত হয়েছে দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে।
বিকেল হলেই শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আবার কেউ প্রিয়জনদের নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। কাশফুলের শুভ্রতা আর নীল আকাশের মেলবন্ধনে তৈরি হচ্ছে মনোরম পরিবেশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মীয়মাণ ক্যাম্পাস এলাকার বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে ফুটে আছে কাশফুল। মৃদু বাতাসে দুলছে সাদা কাশফুলের সারি। দর্শনার্থীদের কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন। অনেকে আবার নিরিবিলি পরিবেশে কিছুটা সময় কাটিয়ে উপভোগ করছেন প্রকৃতির সৌন্দর্য।
স্থানীয় দর্শনার্থীরা জানান, শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়ায় তারা এখানে আসছেন। বিশেষ করে বিকেলের দিকে কাশবনের সৌন্দর্য আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। তখন কাশবন ঘেরা পুরো এলাকায় মানুষের আনাগোনা দেখা যায়। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে আসা অনেকেই কাশফুলের সামনে ছবি তুলে শরতের স্মৃতি ধরে রাখছেন।
দর্শনার্থীদের কয়েকজন বলেন, শরতের কাশফুল দেখতে প্রতিবছরই তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যান। এবার নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মীয়মাণ ক্যাম্পাস এলাকায় কাশফুলের বিস্তীর্ণ সমারোহ তাদের আকৃষ্ট করেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর থাকলে জায়গাটি স্থানীয় মানুষের জন্য আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।
প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি কাশবনটি যেন নষ্ট না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। নির্বিচারে কাশফুল নষ্ট না করা, ময়লা-আবর্জনা না ফেলা এবং পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
শরতের কাশফুলের শুভ্রতা, নীল আকাশ ও নির্মল বাতাসে নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মীয়মাণ ক্যাম্পাস এলাকা এখন যেন প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে নতুন এক আকর্ষণ। প্রকৃতির টানে প্রতিদিনই এখানে বাড়ছে মানুষের আনাগোনা।
জ/শা