কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের নির্মাণাধীন স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চাঁদাবাজির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের ভাষ্য, নিউগিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। হামলার মূল লক্ষ্যও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ছিল না।
গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজ এলাকায় এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এর পর সালমান মুক্তাদির একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। হামলার কারণ নিয়েও নানা প্রশ্ন ওঠে।
এ বিষয়ে ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) নাজমুল আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও টার্গেট ছিল না।’
গতকাল শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে সংঘটিত এ ঘটনায় হামলাকারীরা স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম ও কক্ষের আসবাবসহ নানা জিনিসপত্র ভাঙচুর ও লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় স্টুডিওর সিসি ক্যামেরাসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ৩৫ কাঠা জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও নিউগিনি প্রপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, ওই বিরোধের জের ধরে মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষের লোকজন নিউগিনি প্রপার্টিজের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর তারা সেখানে থাকা বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালান। এ সময় সালমান মুক্তাদিরের নির্মাণাধীন স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জ/উ