হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক ‘বাল্লা স্থলবন্দর’ তৈরি হয়ে থাকলেও কোনো কাজে আসছে না। পুরোনো ইমিগ্রেশন চেকপোস্টটি নতুন ভবনে স্থানান্তর না করায় আন্তর্জাতিক মানের এই অবকাঠামো এখন অলস পড়ে আছে।
ফলে এই বিপুল বিনিয়োগের শতভাগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ ও দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চুনারুঘাটের গাজীপুর ইউনিয়নের কেদারাকোট এলাকায় স্থলবন্দরটির আধুনিক অবকাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে পুরোনো 'বাল্লা খোয়াই' ইমিগ্রেশন চেকপোস্টটি রয়ে গেছে আগের জরাজীর্ণ স্থানেই।
নদীর ওপর সেতু না থাকায় ভারতে চিকিৎসা, ব্যবসা কিংবা ভ্রমণের জন্য আসা হাজার হাজার যাত্রীকে প্রতিদিন নৌকা বা নদী হেঁটে পার হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে আসা প্রখর স্রোতে নদী পার হতে গিয়ে যাত্রীদের প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়।
স্থানীয় ও ব্যবসায়ীদের দাবি, পুরোনো স্থান থেকে অবিলম্বে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কার্যক্রম নতুন স্থলবন্দর চত্বরে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। নদী পারাপারের ভোগান্তি দূর হলে দ্রুত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত বাণিজ্যে গতি আসবে, যা থেকে সরকারও প্রতিবছর বিপুল রাজস্ব আয় করতে পারবে। বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এ মেগা প্রকল্পটিকে দ্রুত পুরোদমে সচল করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।