স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন আচরণবিধিতে নির্বাচনের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বা সদস্য হিসেবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্যও আচরণবিধি প্রকাশ করা হয়েছে।
ইউপি নির্বাচনের আচরণবিধিতে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে অংশগ্রহণের বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আগে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত হয়ে থাকলে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো সভায় সভাপতিত্ব বা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রমেও যুক্ত হতে পারবেন না।
আচরণবিধিতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলের কোনো প্রকল্প অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা ফলক উন্মোচন করা যাবে না।
এ ছাড়া নির্বাচন-পূর্ব সময়ে অতি গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যক্তি সরকারি, সংবিধিবদ্ধ, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদান ঘোষণা, বরাদ্দ বা অর্থ ছাড় করতে পারবেন না।
আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য বা অন্য কোনো পদাধিকারী সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় উন্নয়নমূলক কোনো প্রকল্প অনুমোদন করতে পারবেন না। একইভাবে আগে অনুমোদিত কোনো প্রকল্পের অর্থও ছাড় বা প্রদান করা যাবে না।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী পরিবেশে সরকারি সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতেই এসব বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জ/উ