ইরান-সংক্রান্ত বিষয়ের অজুহাতে চীনের বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়েছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এসব নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞার কারণে বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক লেনদেনে অযাচিত হস্তক্ষেপ তৈরি হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিশীলতা গুরুতরভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
মুখপাত্র যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে তাদের ভুল সংশোধন করারও আহ্বান জানান।
সম্প্রতি মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট অন্যান্য দেশকে ইরান থেকে দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে চীন ও রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশ এ আহ্বানের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল।
এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুয়েতে ইরানের নতুন করে চালানো হামলা দেশটির সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক আইনেরও পরিপন্থী।
কাতার বলেছে, এসব হামলা উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলছে। পাশাপাশি অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, এসব হামলা এবং এর পরিণতির জন্য ইরান আইনগতভাবে দায়ী।
কুয়েতের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে কাতার জানিয়েছে, দেশটির সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় কুয়েত যে পদক্ষেপ নেবে, তা তারা সমর্থন করবে। একই সঙ্গে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অঞ্চলে সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ, উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি এড়ানো এবং পূর্ববর্তী কূটনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে সংলাপ ও আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার পর ইরানও জানিয়েছে, তারা কুয়েত ও জর্ডানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
জ/উ