আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

2026-09-03T18:57:28+06:00
2026-09-03T18:57:28+06:00
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলা English
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Advertisement
আন্তর্জাতিক
নেপালে ২০ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ পিএম 
গত ২৬ আগস্ট হিমালয় হিমবাহ ধস এবং এর পরবর্তী আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে অন্তত ২০ হাজার বাড়িঘর নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। আজ বৃহস্পতিবার নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্মরাজ উপ্রেতি এ তথ্য জানিয়েছেন।

ধর্মরাজ উপ্রেতি বলেন, প্রাথমিক হিসাবে অন্তত ৭ হাজার ৫০০ বাড়িঘর পুরোপুরি ধসে গেছে অথবা কাদার নিচে চাপা পড়েছে।

চরম এই মানবিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৪ জনে। এখনো ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বাড়িঘর ধ্বংসের পাশাপাশি চীন সীমান্তসংলগ্ন বেশ কয়েকটি পুরো জনপদ পলি ও কাদার নিচে চাপা পড়েছে।

এ ছাড়া অক্ষত থাকা অনেক বাড়িও বসবাসের উপযোগিতা হারিয়েছে। ফলে প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে নতুন স্থানে পুনর্বাসনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ধর্মরাজ উপ্রেতি জোর দিয়ে বলেন, পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আর বাড়ি নির্মাণের সুযোগ নেই। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানান্তরের জন্য নতুন ও নিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, নিখোঁজদের সন্ধানের পাশাপাশি সরকার এখন ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে আটকে পড়া কর্মীদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে ‘আপার ত্রিশূলী-১’ প্রকল্পের কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিশ্বমানের উদ্ধারকারী দল ড্রোন, স্নাইফার ডগ, শাব্দিক তরঙ্গ শনাক্তকরণ সরঞ্জাম ও থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার করে নিখোঁজ নয়জন কোরীয় কর্মীসহ অন্য শ্রমিকদের উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছে।

জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে নেপালের জরুরি পরিচালন কেন্দ্রগুলো শিশুদের শিক্ষার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ সতর্ক করে জানিয়েছে, অন্তত ২২ হাজার শিশু অবিলম্বে নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার ঝুঁকিতে রয়েছে।

অস্থায়ীভাবে তৈরি আশ্রয়কেন্দ্র অথবা আশপাশের নিরাপদ ভবনে শিশুদের পাঠদান আবারও চালুর চেষ্টা করছেন শিক্ষকরা।

অন্যদিকে ভবিষ্যতে সীমান্তবর্তী এলাকায় এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা পেতে ভূমিকম্প পরিমাপক সেন্সর, ক্যামেরা ও স্যাটেলাইট সংযোগ সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার। সূত্র: রয়টার্স

জ/উ






Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]