শিশুদের সুস্থ, দক্ষ ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার পরিধি আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, শিশুদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হতে হবে। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিনির্ভরতা কমিয়ে শিশুদের মাঠমুখী করতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন খেলা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মাঠে ব্যবহারিক মূল্যায়নেরও ব্যবস্থা থাকবে।
তিনি আরও জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির আওতায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে ১ জুলাই থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ নিশ্চিত এবং মাঠে প্রবীণদের হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. এল. এম. কামরুজ্জামানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জ/উ