কাপাসিয়ার ৫ খুনের ঘাতক ফোরকানের অর্ধগলিত মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি

দেশজুড়ে

2026-05-16T17:55:27+06:00
2026-05-16T17:55:27+06:00
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইপেপার  বাংলা English
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Advertisement
দেশজুড়ে
কাপাসিয়ার ৫ খুনের ঘাতক ফোরকানের অর্ধগলিত মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:৫৫ পিএম 
কাপাসিয়ার ৫ খুনের ঘাতক ফোরকানের অর্ধগলিত মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ৮ দিন আগে স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে গলাকেটে ও শ্বাসরোধে হত্যায় অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার অর্ধগলিত মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার বিকেল চারটার দিকে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ঘোড়দৌড় এলাকার পুরান পদ্মা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মাদ ইলিয়াছ জানান, দুপুর সোয়া একটার দিকে নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। মরদেহটি দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় অনেকটাই বিকৃত ও অর্ধগলিত হয়ে গেছে। মুখমণ্ডল ও আঙুলের অংশ খসে পড়েছে। নিহতের স্বজনরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছেন উদ্ধার হওয়া মরদেহটি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় চাঞ্চল্যকর ৫ হত্যাকাণ্ডের মূল ঘাতক ফোরকান মিয়ার।

গত ৮ মে গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্ৰামে সিঙ্গাপুর প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে তার ভাড়াটিয়া ফোরকান মিয়া তার স্ত্রী শারমিন খানম (৩০), মাদরাসা পড়ুয়া তাদের বড় মেয়ে মীম খানম (১৫), মেজ মেয়ে উম্মে হাবিবা (৮) ও ছোট মেয়ে ফারিয়া (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়াকে (২২) নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জের পাইককান্দি এলাকার বাসিন্দা ও নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাৎ মোল্লা ঘটনার রাতেই কাপাসিয়া থানায় ফোরকানকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন; যেখানে অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।


এ ব্যাপারে কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. যোবায়ের ঘটনাস্থলে স্বজনদের মরদেহ দেখিয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে দেহটি ফোরকানেরই। বিষয়টি আরো নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য মরদেহ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম মোল্লা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যদি অন্য কারো সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পুলিশ না পায় তাহলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখানেই শেষ হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে মামলার ইতি টানবেন।

জ/দি





Advertisement
Loading...
Loading...
দেশজুড়ে - আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: [email protected] , [email protected]