জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটে টোকিওর হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
সফরকালে কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং শিল্প খাতের মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নেন। সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন ছিল জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। এতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি জাপানের বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ যোগ দেন তিনি। সেখানে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরের শেষ পর্যায়ে টোকিওতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও অংশ নেন তিনি।
চার দিনের এ সফরে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে জাপানে তাঁর সরকারি কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
জ/শা